প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] টেকনাফের ৩০টি পয়েন্ট দিয়ে আসছে ইয়াবা

ইসমাঈল ইমু : [২] করোনার এই দুর্যোগকালেও বসে নেই মাদক কারবারিরা। নিত্যনতুন কৌশলে মাদকের চোরাচালান আসছে। কখনো ত্রাণবাহী কিংবা জরুরি পণ্যবাহী যানে, মাছ ধরার ট্রলার, কাভার্ড ভ্যান, কখনো পায়ুপথে, কখনো যানবাহনের ইঞ্জিনের কাভারে করে গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে গাঁজা, ফেনসিডিল কিংবা ইয়াবা। করোনার মধ্যে মাদকসেবীদের জন্য হোম ডেলিভারিও হচ্ছে।

[৩] নৌ ও সড়কপথে এসব মাদক সারা দেশের গ্রাম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তবে নৌপথে বেশি যাচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, রাজশাহী, যশোর ও সাতক্ষীরা দিয়ে ফেনসিডিল বেশি আসছে। ইতিমধ্যে বগুড়ায় মাদকের বড় চালান ধরেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া দিয়ে গাঁজা ও ফেনসিডিল বেশি আসছে।

[৪] অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের ২৫ কিলোমিটার অরক্ষিত। এসব পথ দিয়ে অস্ত্র ও মাদক আসছে। বিশেষ করে টেকনাফের চারটি পয়েন্ট দিয়ে বেশি ইয়াবা আসছে। টেকনাফ সীমান্তবর্তী নাফ নদীর ওপারে হলো ইয়াবার কারখানা। দুই দেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পর্যায়ে একাধিকার বৈঠক হলেও ঐ সব কারখানা বন্ধ হয়নি। টেকনাফ থেকে এসব ইয়াবা নৌপথে বরিশাল, পিরোজপুর হয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও মোংলা-খুলনায় চলে যাচ্ছে।

[৫] মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, বর্তমানে দেশের প্রতিটি গ্রামে মাদক পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একশ্রেণির কর্মকর্তা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। নইলে প্রতিটি ওয়ার্ড ও গ্রামে মাদক পাওয়া যায় কীভাবে। স্থানীয় একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতাকর্মী মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে প্রকাশ্যে। মোটা অঙ্কের টাকা মাসে উেকাচ পান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একশ্রেণির সদস্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত