শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? ◈ এয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিররঞ্জন সরকার: ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দুর্বৃত্তদের এখন জয়-জয়কার

চিররঞ্জন সরকার: দল বড় হলে সেখানে নানা ধরনের ব্যক্তির সমাবেশ ঘটে। আর দল ক্ষমতায় থাকলে তো কর্মীর কোনো অভাব ঘটে না। মধুর আশায় মৌমাছিরা যেমন একত্র হয়, ঠিক তেমনি ক্ষমতার লোভে সবাই ক্ষমতাসীন দলে ভিড় জমায়। ক্ষমতাসীন দলের সদস্য হওয়ার অনেক সুবিধা।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যা খুশি তা-ই করার লাইসেন্স পাওয়া যায়। ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের সাধারণত কেউ ঘাঁটাতে চায় না। বলা তো যায় না, কার সঙ্গে ওপর মহলের কার ভালো সম্পর্ক। কিছু বললে শেষে চাকরি, পেশা ও জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। আর এই সুবিধাটা কাজে লাগিয়ে দেশে দুর্বৃত্তায়ন ঘটছে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন। ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে গড়ে ওঠা, বেড়ে ওঠা এই দুর্বৃত্তদের এখন জয়-জয়কার। দেশে কোনো অপকর্ম ঘটলে অনিবার্যভাবেই এর সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীদের যোগ খুঁজে পাওয়া যায়। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবার ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়