শিরোনাম
◈ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫-এর অধ্যাদেশের চেয়ে শক্তিশালী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন আমানউল্লাহ আমান ◈ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির, বাড়াতে চান বাণিজ্য-সহযোগিতা ◈ শরীর-মন সতেজ করতে ইউরোপের ১১ স্পা শহর ও বিলাসবহুল ওয়েলনেস গন্তব্য: কী আছে, কেন এত আকর্ষণীয় ◈ স্ক্যাবিসের সংক্রমণ বাড়ছে দেশজুড়ে, সবচেয়ে ঝুঁকিতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ◈ নতুন দায়িত্বে গয়েশ্বর চন্দ্র ◈ তনু হত্যা মামলায় ২ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি ◈ বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমল কেন, ব্যাখ্যা দিল আদানি পাওয়ার ◈ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিররঞ্জন সরকার: ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দুর্বৃত্তদের এখন জয়-জয়কার

চিররঞ্জন সরকার: দল বড় হলে সেখানে নানা ধরনের ব্যক্তির সমাবেশ ঘটে। আর দল ক্ষমতায় থাকলে তো কর্মীর কোনো অভাব ঘটে না। মধুর আশায় মৌমাছিরা যেমন একত্র হয়, ঠিক তেমনি ক্ষমতার লোভে সবাই ক্ষমতাসীন দলে ভিড় জমায়। ক্ষমতাসীন দলের সদস্য হওয়ার অনেক সুবিধা।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যা খুশি তা-ই করার লাইসেন্স পাওয়া যায়। ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের সাধারণত কেউ ঘাঁটাতে চায় না। বলা তো যায় না, কার সঙ্গে ওপর মহলের কার ভালো সম্পর্ক। কিছু বললে শেষে চাকরি, পেশা ও জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। আর এই সুবিধাটা কাজে লাগিয়ে দেশে দুর্বৃত্তায়ন ঘটছে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন। ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে গড়ে ওঠা, বেড়ে ওঠা এই দুর্বৃত্তদের এখন জয়-জয়কার। দেশে কোনো অপকর্ম ঘটলে অনিবার্যভাবেই এর সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীদের যোগ খুঁজে পাওয়া যায়। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবার ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ