প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিনহা হত্যাকাণ্ডের মোটিভ জানতে পারেনি তদন্ত কমিটি

ইসমাঈল ইমু: [২] ইন্সপেক্টর লিয়াকত কেনো গুলী করেছিলেন, নিশ্চিত হতে পারেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। সিনহা গাড়ী থেকে অস্ত্র নিয়ে নেমেছিলেন কি না বা অস্ত্রে হাত দিয়েছিলেন কি না, তাও নিশ্চিত নয়। পাহাড়ে ডাকাত উঠার খবর সম্পর্কেও সুনিশ্চিত তথ্য পায়নি কমিটি। সিনিয়র সাংবাদিক আজাহার আলী সরকারের ফেসবুক থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

[৩] ফেসবুক ওয়ালে তিনি লেখেন, মেজর সিনহা পাহাড়ে কেনো গিয়েছিলেন এবং সেখানে ৪ ঘন্টারও বেশী সময় থাকলেও সেখানে কী করেছিলেন, সে ব্যাপারেও কোন তথ্য থাকছে না তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। কেনো তিনি সেনাবাহিনীর পোশাক বা সেনাবাহিনীর সদৃশ পোশাক পরেছিলেন তার কোনো উত্তর নেই রিপোর্টে।

[৪] রিপোর্টে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এবং ১২ দফা সুপারিশ রয়েছে। এতে বলা হয়, ডাকাত আসার তথ্য সঠিকভাবে ভেরিফাই না করে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়ে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে শুধুমাত্র কৃতিত্ব পাবার আশায় পুলিশ ইন্সপেক্টর লিয়াকত গুলিবর্ষণের মত হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কি না বা নিছক আত্মরক্ষার্থে গুলি করেছিলেন বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিলো কিনা তা ফৌজদারি তদন্ত করে বের করতে হবে।

[৫] সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক অবস্থায় প্রতীয়মান হয়েছে যে, মেজর সিনহার গাড়ি থেকে উদ্ধার করা ইয়াবা ও গাজা পুলিশ পরিকল্পিতভাবে দিয়ে দিয়েছিলো। জিজ্ঞাসাবাদকালে মেজর সিনহার সহযোগী সিফাত বলেছিল এতো গাঁজা গাড়িতে থাকার তো কথা না। ঘটনার পর মেজর সিনহাকে কেন দেরি করে হাসপাতালে পাঠানো হলো? এটা ইচ্ছাকৃত কিনা তা বের করতে হবে।

[৬] সুপারিশে বলা হয়েছে, ঘটনার ক্রাইম সিন সংরক্ষণে আরো সতর্ক হওয়ার জন্য জেলা পুলিশকে নির্দেশনা দিতে হবে। ছোটখাটো ঘটনাতে অস্ত্র ব্যবহারে বাহিনীর সদস্যরা অতিমাত্রায় সংবেদনশীল থাকেন। এটা বন্ধ করতে হবে। এখানে পুলিশ শব্দটি আলাদা ব্যবহার করা হয়েছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত