প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঘাগুটিয়া পদ্মবিলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড়

তৌহিদুর রহমান: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ঘাগুটিয়া পদ্মবিলের প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে এখন প্রতিনিয়ই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। প্রত্যন্ত এলাকা হলেও প্রতিদিন পদ্ম ফুল দেখতে দূর দুরান্ত থেকে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।

[৩]ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে আমতলি আর বাংলাদেশের আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউপির ঘাগুটিয়া গ্রামে মাঝখানের বিলে চাদর বিছানো জলপদ্ম। সারি সারি ডগায় ফোটা গোলাপী পদ্মের সুবাস আর বাতাসের দোলাচলে সৃষ্টি হয়েছে এক ভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশ। বর্ষা মৌসুমের এ সময়ে পর্যটকদের অনেকেই আসেন পদ্মের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ছবি তুলে নিজেকে স্মৃতির ফ্রেমে বন্দী রাখতে।

[৪] প্রায় ১২০ একরের এই বিল আষাঢ় মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত পদ্মফুলে রঙিন থাকে। স্থানীয়দের মতে, এই বিলটিকে সংরক্ষণ করা হলে এটি হতে পারে একটি আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র।

[৫] কথা হয় বিলে ঘুরতে আসা মো: শোভন চৌধুরী ও শান্তা বেগমের সাথে তারা বলেন, গত কয়েক বছর আগেও নয়নাভিরাম এই পদ্ম বিলটি সাধারণ মানুষের কাছে এত পরিচিত ছিলনা। কিন্তু গত কয়েক বছরের ব্যবধানে ফেইসবুকের কল্যাণে বিলটি দর্শনার্থীদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে।

[৬] ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও কুমিল্লাসহ আশেপাশের বিভিন্ন স্হানের অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে ঘুরতে আসছেন। এখনকার পদ্মফুলে সাথে মিশে যাচ্ছে প্রকৃতিপ্রেমিরা। উপরে খোলা আকাশ আর নীচে বিলের জলপদ্ম মিশে একাকার হয়ে আছে। এই দৃশ্য সচরাচর খুব চোঁখে পড়েনা। যা দর্শনার্থীদের মনের খোরাক হিসেবে কাজ করে।

[৭] ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: নূরে আলম বলেন, ভ্রমণপিয়াসু অনেক মানুষের কাছেই স্থানটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে পদ্মবিলের সৌন্দর্য করতে মানুষ ঘুরতে আসছে। আমাদের চিন্তা ভাবনা আছে কিভাবে পর্যটকদের কাছে স্থানটি আরো জনপ্রিয় করে তুলা যায়। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত