শিরোনাম
◈ ‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি ◈ কাশ্মীর সীমান্তে একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন শনাক্ত: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভারতীয় বাহিনী ◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না: বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে যাত্রীরা ◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি ◈ কী ঘটেছিল, কী দেখে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতদল? যা জানাগেল (ভিডিও) ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন, জড়িত তিন সহোদর ◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:২৯ সকাল
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: ‘ওল্ড হোম’ বা ‘বৃদ্ধাশ্রম’ শব্দ দুটিকে ভীষণ করুণ আর ট্যাবুযুক্ত করে ফেলেছি আমরা

সাদিয়া নাসরিন: কী ভয়ংকর অপমানজনক নির্বাসন যার সারা গায়ে লেপে দেওয়া হয়েছে ‘আহা উহু’। আমার কাছে কিন্তু বাচ্চাদের বোর্ডিং স্কুলে পাঠানোর মতোই স্বাস্থ্যসম্মত বাস্তবতা মনে হয় এটি। বোর্ড স্কুলে যেমন বাচ্চারা নিজেদের কমিউনিটি ডেভেলপ করে ফেলে, সিনিয়র সিটিজেনরাও সেটা স্বসম্মানেই করতে পারেন। আমার এই জীবনে শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য কিছুই উদযাপন হয়নি। তারুণ্যের শুরুতেই বিয়ে নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ঢুকে গেছি। যৌবনের পুরোটাই সন্তান উৎপাদন, লালন পালন, জীবিকা এবং প্রতিষ্ঠার পেছনে ছোটা। এখনো চলছেই ছুটোছুটি।

তাই সব সময়ই মনে হয়েছে, পঞ্চাশ পরবর্তী সময়টা পর্যন্ত বেঁচে থাকলে খুব উদযাপন করবো। নিজের মতো করে প্রকৃতির সাথে যাবো। বাচ্চা-কাচ্চার সমস্যা আর ‘সঙসার’ নামক কয়েদখানা থেকে মুক্তি নিয়ে, বরং অনেকটুকু সবুজের মাঝে একটা ছোট্ট কজি ঘর, কিছু বই, লেখার টেবিল, বারান্দা, ভোরের শিশির, টিনের চালের ঝুম বৃষ্টির শব্দ আর হলুদ চাঁদ। নাটক, বাউল, কীর্তন আর সমমনা বন্ধুদের (যদি এই পৃথিবীতে তাদের দেখা মেলে আর কী) নিয়ে ভীষণ সুন্দর একটা নিজস্ব যাপন করতে চাই। আমার পরিকল্পনা আছে এমন একটি কমিউনিটি ডেভেলপ করার, যারা আমার মতো নিজস্ব যাপনে স্ব-ইচ্ছায় চলে আসতে চান তাদের স্বাগত। তবে কোনো এনজিও মার্কা দাতব্য প্রকল্প হবে না এটি। বরং আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান ও মানসিকভাবে সক্ষম মানুষদের জন্য পুরোপুরি কমার্শিয়াল প্রজেক্ট।

ছোট্ট গ্রামের মতো করে একটা এলাকাকে ডেভেলপই করা হবে এই মানুষগুলোর চাহিদা ও মননকে মাথায় রেখে। এর মধ্যে অনেক ছোট ছোট কটেজ করা থাকবে। সামর্থ্য অনুযায়ী যে যার কটেজটি কিনে নেবেন। সবুজটুকু সবার থাকবে কিন্তু ঘর যার, ঘরের সাঁঝ বাতিটাও তার। সবাই যে যার মতো কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। কিন্তু যেদিন বাউল গানের আসর বসবে সেদিন সবাইকেই থাকতে হবে। কেউ কাউকে ‘সেবা’ দেবে না এখানে। এই গ্রামের বাসিন্দারা সবাই মিলেই যাবতীয় সুবিধাকে এভেইলেবল করবে। খাওয়া-দাওয়া ইন্ডিভিজুয়াল হতে পারে আবার কলেক্টিভও। ইট উইল ডিপেন্ডস। তবে রান্নার লোক থাকবে। ফিজিশিয়ান থাকবে, মেন্টাল হেলথ প্রফেশনাল থাকবে। উপাসনার জায়গা, ফিটনেস সেন্টার, মিউজিক সেন্টার, হোম থিয়েটার থাকবে। অ্যান্ড আয়্যাম ভেরি সিরিয়াস। আমি যাবো, যাবোই। হয়তো আপনাদের অনেকেরই সাথে সেই স্বপ্নের উঠোনে দেখা হয়ে যাবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়