শিরোনাম
◈ উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ, প্রধান উপদেষ্টাকে পাওলা পাম্পালোনি ◈ জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি পদে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে শিবিরের রিয়াজুল ◈ ইসিতে যেসব অভিযোগ জানাল জামায়াত ◈ সংগীত বিভাগে শিবির সমর্থিত জিএস-এজিএস প্রার্থীর ঝুলিতে শূন্য ভোট ◈ নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ কেন? দ্বীপটি কতটা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ◈ ব্যাংক ঋণে বাড়ি কেনা সহজ হলো, নতুন সার্কুলার জারি ◈ তারেক রহমান নয়াদিল্লির জন্য “সবচেয়ে নিরাপদ বাজি” ◈ হলফনামায় তথ্য অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল, সংশোধন করেছি: এনসিপি প্রার্থী সারজিস আলম ◈ ‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়’

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৪৪ সকাল
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বর্তমানে কলোন ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে তরুণরা

জেরিন আহমেদ: [২] নতুন একটি জরিপে মার্কিন বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এর থেকে কম বয়সী মানুষেরা গত কয়েক বছরে রোগটিতে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন।জরিপের তথ্য উল্লেখ করে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, রোগটি আবার মধ্যবয়সীদের কম হচ্ছে।

[৩] আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সাল থেকে কোলোরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত ৫০ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা বাড়ছে। মূলত কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসার সাধারণত ৪০ কিংবা ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের হতে দেখা যায়।

[৪] প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অর্ধেক রোগীর বয়সই ৬৬ বছরের কম। দুই তৃতীয়াংশের বয়স ৪৯’র ভেতরে।

[৫] আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪৫ বছর বয়স হলেই নিয়মিত চেকআপ করা উচিত। কিন্তু অন্য বিশেষজ্ঞরা তাদের গাইডলাইনে আগের মতো ৫০ বছর রেখেছেন। জরিপের তথ্য উল্লেখ করে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, রোগটি আবার মধ্যবয়সীদের কম হচ্ছে।আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সাল থেকে কোলোরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত ৫০ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা বাড়ছে।

[৬] লক্ষণ: প্রাথমিকভাবে কোলন ক্যানসার নির্ণয় অত্যন্ত কঠিন। কেননা প্রথমদিকে রোগটির তেমন কোনো উপসর্গ বোঝা যায় না। কোলন বা মলাশয়ের কোন জায়গায় ক্যানসার রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে উপসর্গের বিভিন্নতা দেখা যায়। মলের সঙ্গে রক্ত কিংবা পেটে ব্যথা নিয়ে অধিকাংশ রোগী প্রথম চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন (কখনও ডায়রিয়া, কখনও কষা), রক্তশূন্যতা (দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট) ইত্যাদি রোগটির প্রাথমিক লক্ষণ।

[৭] অবস্থা গুরুতর হলে- অতিরিক্ত ওজনশূন্যতা, পেটে চাকা, পেটে পানি, কাশির সঙ্গে রক্ত ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে আসেন।প্রতিরোধে করণীয়: কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে নিয়মিত আঁশযুক্ত, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং ভিটামিন ও খনিজযুক্ত খাবার গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, মদ্যপান ও ধূমপান পরিহার করাও এই ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

[৮] চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোগনির্ণয়ের জন্য নিয়মিত স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো জরুরি। এই সময়ে কোলন ক্যানসারের খুব ভালো চিকিৎসা দেশেই রয়েছে। চিকিৎসায় শত শত রোগী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থভাবে জীবন যাপন করছে। সুতরাং প্রতিরোধ ও প্রতিকারযোগ্য এই ক্যানসারকে প্রতিহত করার জন্য দরকার একটুখানি সতর্কতা ও সচেতনতা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা।

[৯] হওয়ার কারণ: পরিবেশ ও জিনগত কারণে বৃহদন্ত্র ও মলাশয়ে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা পাঁচ ভাগ বৃদ্ধি পায়। খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

[১০] অতিরিক্ত গরু বা ছাগলের মাংস খাওয়া, খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবারের অনুপস্থিতি, ধূমপান ও মদ্যপান এই ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। টুডে নিউজ, সিএনএন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়