প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তিব্বতে বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

ইমরুল শাহেদ: [২] তিনি শনিবার দলের উর্ধ্বতন নেতাদের তিব্বতের স্থিতিশীলতা, জাতীয় ঐক্যকে সমুন্নত করা এবং জনগণকে বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলার জন্য ‘দুর্জয় দুর্গ’ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া, সিনহুয়া

[৩] ১৯৫০ সালে তিব্বতের শাসভার হাতে নেয় চীন। এটাকে চীন বলেছে তিব্বতের শান্তিপূর্ণ স্বাধীনতা। এর মাধ্যমে হিমালয় অঞ্চলের এ দেশটিতে সামন্ততন্ত্রের অবসান ঘটে। কিন্তু দালাই লামার অনুসারী সমালোচকরা এটাকে বলছেন, ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা।’

[৪] তিব্বতের ভবিষ্যতের শাসনব্যবস্থা নিয়ে কমিউনিস্ট পার্টির উর্ধ্বতন নেতাদের বৈঠকে তিনি প্রাপ্তি ও তিব্বতের সম্মুখ ভাগের কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি আঞ্চলিক ঐক্যকে আরো শক্তিশালী করার পরামর্শও দেন।

[৫] রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে শির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, তারুণ্যের অন্তরের গভীরে চীনের প্রতি ভালোবাসার বীজ বপন করতে হবে। সেজন্য তিব্বতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক ও আদর্শগত শিক্ষা প্রচলনের জন্য গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।

[৬] শি বলেন, ভূখণ্ডটিতে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা বাড়াতে হবে এবং জাতিগত সমন্বয় তৈরি করতে হবে। ঐক্য, প্রগতি, সুসভ্যতা, একতাবদ্ধতা এবং নতুন একটি চমৎকার, আধুনিক ও সমাজতান্ত্রিক তিব্বত গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন শি।

[৭] তিনি বলেন, চীনের আদলে তিব্বতের বুদ্ধবাদকে সমাজতান্ত্রিক ধাচে গড়ে তুলতে হবে।

[৮] যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের অবনতির কারণেই তিব্বত প্রসঙ্গটি নতুনভাবে সামনে চলে এসেছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত