শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষ নেবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ 

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৫৪ সকাল
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধান-চাল সংগ্রহে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার শঙ্কা

তৌহিদুর রহমান নিটল: [২] সরকারি ভাবে গত ৭ মে থেকে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়ে চলতি মাসের ৩১ আগস্ট শেষ হবে। এখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার হাওরাঞ্চলে উৎপাদিত ধান কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌ-পথে আশুগঞ্জ মোকাম ঘাটে নিয়ে আসেন। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এই সব ধান বেচা-কেনা। তবে এবার হাওর অঞ্চলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ধান উৎপাদিত হয়েছে। মোকামেও বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। তারপরও মিল মালিক চুক্তি অনুযায়ী এবার চাল দিতে পারছে না।

[৩] মিল মালিকরা দাবি করছেন,বাজারে ২৬ টাকার উপরে প্রতি কেজি ধান। বর্তমানে ধানের বাজার অনুযায়ী চাল প্রতি কেজি এখন ৪২ টাকার উপরে। ফলে গুদামে ৩৬ টাকা কেজি চাল দেওয়া সম্ভব না। প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ৬ টাকা উপরে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

[৪] দেশের হাওর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ধানের মোকাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মোকামঘাটে ব্যাপক পরিমান ধান বেচা কেনা হয়। তারা বলছেন, ধানের বাজারের সাথে চালের বাজারের কোন মিল নেই। ফলে তারা এবার চুক্তি করেও সরকারি গুদামে ধান- চাল দিতে পারছেন না।
তবে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলছেন চুক্তি মোতাবেক মিল গুলোকে চাল দিতে হবে। নতুবা শর্ত ভঙ্গ করলে মিলবে শাস্তি। এই সংক্রান্ত পরিপত্রও জারি করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।

[৫] ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাদ্য অধিদপ্তর তথ্য মোতাবেক জানা যায়, জেলায় বোরো ধান সংগ্রহ করা হবে ১৯,১৪৮ মে. টন। সংগ্রহ করা হয়েছে ১২,০১৯ মে. টন। আর চাল সংগ্রহ করা হবে ৪০,৯৯৫ মে. টন। সংগ্রহ করা হয়েছে ২৫,৭৫৩ মে. টন।

[৬] আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ১৪,৩৭২ মে. টন। আর সংগ্রহ করা হয়েছে ১০,৭২১ মে. টন। সরকারি ভাবে ধানের মূল্য ২৬, আতপ চাল ৩৫, আর সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সংগ্রহ অভিযান চলবে চলতি আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত। জেলা চাতাল কল মালিক সমিতির সভাপতি বাবুল আহম্মেদ জানান, এবার মিল মালিকদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এসময় তিনি প্রণোদনাসহ সময় বৃদ্ধি করার জন্য দাবি জানান। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়