শিরোনাম
◈ ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ◈ বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা মারা গেছেন ◈ বিটিআরসির সতর্কবার্তা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের! ◈ বিক্ষোভকারীদের ইরানি প্রতিষ্ঠান দখল করতে বল‌লেন ট্রাম্প, হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও আ‌ন্দোলন দমা‌তে এরফানের ফাঁসি আজ ◈ ‌নির্বাচ‌নে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দি‌তে প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে? ◈ বাংলাদেশের জন্য যে তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত ◈ ভারতের ব‌্যাড‌মিন্টন ভেন্যুতে মল, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর, খে‌লোয়াড়‌দের অভিযোগ  ◈ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক বিন্যাসে পক্ষপাতের অভিযোগ বিএনপির, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে দলটি ◈ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে সরকারি গানম্যান ও বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ ◈ আজ ঢাকার তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২০, ০২:০৬ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২০, ০২:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আয়ারল্যান্ড পাঠানোর নামে ভারতে আটকে মুক্তিপণ আদায়

জেরিন আহমেদ: [২] মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাবা-ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে তাদের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

[৩] জানা গেছে, সিলেটের বিশ্বনাথের টেংরা গ্রামের আব্দুল হক (৩০) নামে এক যুবককে আয়ারল্যান্ড পাঠানোর নামে ভারতে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছে। এ ঘটনায় মুক্তিপণ আদায়কারী আব্দুস সালাম (৪৮) ও তার ছেলে নাইমুর রহমান সাকিবকে (২৫) সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা সিলেট নগরের পীর-মহল্লা এলাকার বাসিন্দা।

[৪] বিশ্বনাথ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ শর্মা বলেন, গ্রেফতারদের পেশাই হচ্ছে প্রতারণা ও দালালি। তারা ইউরোপ পাঠানোর কথা বলে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে তাদের দালাল চক্রের মাধ্যমে সিলেটের সহজ-সরল মানুষদের আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করেন। গ্রেফতার বাবা-ছেলেকে বিকেলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

[৫] এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল হককে সাকিব বলেন, ১০ লাখ টাকা না দিলে তোকে অ্যাম্বাসিতে তোলা যাবে না। এরপর দেশে থাকা ভাই আব্দুর রবকে দিয়ে দালাল সালামের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেন আব্দুল হক। মুক্তিপণ আদায়ের এক মাস ২০দিন পর তাকে নয়া দিল্লির নির্জন একটি স্থানে ফেলে দেয় দালাল চক্র। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশে ফেরেন আব্দুল হক। এর ৬ মাস পর ২০২০ সালের ১ এপ্রিল সিলেটের মানবপাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালে আব্দুল হক চারজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

[৬] মামলার বাকি আসামিরা হলেন- গ্রেফতার আব্দুস সালামের স্ত্রী আমিরুন বেগম (৪০) ও দক্ষিণ সুরমার মামরখপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৪৪)। সূত্র: বিডি নিউজ, সময় নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়