প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আমতলীতে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫

আমতলী প্রতিনিধি: [২] জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ৮ জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে রবিবার বেলা ১১ টার দিকে বরগুনার আমতলী উপজেলা নাচনাপাড়া গ্রামে।

[৩] স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামের আমোদ আলী আকন ৩০ একর জমি ওয়াক্ফ স্ট্রেট করে যান। ওই জমি বন্টন অনুসারে ফকু আকন তার চাচাতো ভাই ইউসুফ আকন ও দুলাল আকন ভোগদখল করছে। ওই জমির মধ্যে ফকু আকনের তিন একর জমি দুলাল আকন ও ইউসুফ আকন তাদের বলে দাবী করেন।

[৪] এ নিয়ে গত দুই বছর ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার সকাল ১০ টার দিকে ওই জমি ফকু আকন চাষাবাদ করতে যায়। ইউসুফ আকন ও দুলাল আকন তার দলবল নিয়ে ওই জমি চাষাবাদে বাঁধা দেয়। এ সময় তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে দুলাল ও ইউসুফ আকনের ২০-২৫ জন লোক ফকু আকনের লোকজনের উপর হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে।

[৫] গুরুতর আহত ফকু আকন, আলাউদ্দিন আকন, জালাল আকন, সোনা মিয়া আকন, মনিরুল আকন, আইউব আলী আকন, হাফিজুর আকন, রাকিবুল আকন, কামাল আকন, ইব্রাহিম আকন, আলম আকন, সজল আকন,আল আমিন আকন, তুষার আকন,দুলাল আকন, জুয়েল আকন, মহিবুল আকন, নাশির আকন ও কহিনুর বেগমকে স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

[৬] ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মোশের্^দ আলম মুমুর্ষ ফকু আকন, আলাউদ্দিন আকন, জালাল আকন, সোনামিয়া আকন, আইউব আলী আকন, হাফিজুর আকন, দুলাল আকন ও কামাল আকনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা বিরাজ করছে। অপর আহতদের আমতলী হাসপাতালে ভর্তি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

[৭] প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, ফকু আকন তার জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে দুলাল আকন ও ইউসুফ আকন বাঁধা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এ পর্যায় দুলাল আকনের লোকজন ফকু আকনের লোকজনের উপর হামলা চালায়। এতে অনেক লোক আহত হয়েছে।

[৮] আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মোশের্^দ আলম বলেন, গুরুতর আহত ৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। অপর আহতদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

[৯] আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

সর্বাধিক পঠিত