শিরোনাম
◈ হাজারও মানুষ নির্বিচারে আটক, দেদারসে চলছে মামলা বাণিজ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ◈ নির্বাচনে জিততে উত্তরবঙ্গে চোখ জামায়াতের, রংপু‌রে লাঙলের দুর্গ ভাঙ‌তে চায় তারা ◈ বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য ও যাতায়াত: ৫৭৫ ট্রাক পণ্য, পাসপোর্টধারী ১,৩৯৮ জন ◈ পুরান ঢাকার রঙিন জীবনে ঘুরে চা-বিরিয়ানি খেলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ ১০টি আসনে জয়ের আশা করছে এনসিপি ◈ দুরন্তকে হা‌রি‌য়ে অদম্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকে‌টে ধুমকেতুর সুন্দর সূচনা  ◈ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই নিয়ে আশাবাদী অ‌স্ট্রেলিয়ান ব্রেট লি  ◈ চট্টগ্রাম বন্দর অচল করার অভিযোগে ১৫ নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ তদন্তের নির্দেশ ◈ প্রক্টর অফিসের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসালেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র ◈ ভারতে অবৈধ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ১৬ শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৫৪ সকাল
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাইলেই ১০ টা ফেরারি, ২ টা জেট বিমান, হাজার খানেক ডায়মন্ডের ঘড়ি কিনতে পারি

ডেস্ক রিপোর্ট : ছবির লোকটি সাদিও মানে, একজন ফুটবলার। বর্তমানে লিভারপুলের হয়ে খেলছেন। তাঁর শুধু সাপ্তাহিক আয় প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

ছবিটি দেখুন। হাতে তাঁর ভাঙ্গা আইফোন। এমন ভাঙ্গা ফোন ব্যবহার করেন কেন, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি সার্ভিসিং করে নেব। উনাকে বলা হলো, আপনি নতুন একটি মোবাইল কেন নিচ্ছেন না?

উনি বললেন, "এমন মোবাইল চাইলে হাজারটা কেনা যায়। চাইলে ১০ টা ফেরারি, ২ টা জেট বিমান, হাজার খানেক ডায়মন্ডের ঘড়ি কিনতে পারি। কিন্তু এসব কী আমার সত্যিই প্রয়োজন? এগুলো শুধু বৈষয়িক বিষয় ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষের রুচি খুবই নিম্নমানের না হলে কেউ বিশ-ত্রিশ হাজার ডলারের ঘড়ি হাতে দিয়ে ঘুরবে না। আর এসবের মাধ্যমে আমার এবং সমাজের কোনো উপকারে আসবে? যেই মুহুর্তে আমার নিঃশ্বাস শেষ, সেই মুহুর্ত থেকে এসবের মালিকানাও শেষ।"

সাদিও মানে আরও বলেন, দারিদ্র্যের কারণে আমি পড়ালেখা করতে পারিনি। আমি শিক্ষিত না। তাই হয়তো শিক্ষার গুরুত্ব বুঝেছি। দরিদ্র ছিলাম বলেই হয়তো জীবনের আসল অর্থ বুঝেছি। কিন্তু দুনিয়ায় আজ যারা বড় শিক্ষিত, তারাই শিক্ষার গুরুত্বটা ঠিকঠাক বুঝছেন না। যদি বুঝতেন, তবে দুনিয়াতে এতো অভুক্ত শিশু না খেয়ে রাতে ঘুমোতে যেত না। মানুষ দিন দিন এভাবে ভোগ-বিলাসের কয়েদি হয়ে উঠত না। আমি নিজের বিলাসবহুল বাড়ির পরিবর্তে অসংখ্য স্কুল তৈরি করেছি, দামি পোষাকে ওয়াড্রব ভর্তি না করে বস্ত্রহীন মানুষকে বস্ত্র দিয়েছি, নিজে দামি গাড়ি চালানোর পরিবর্তে অগণিত স্কুল শিক্ষার্থীদের স্কুল বাসের ব্যবস্থা করেছি, প্রতি সপ্তাহে সপ্তাহে দামি রেস্টুরেন্টে না খেয়ে অগণিত ক্ষুধার্ত শিশুর খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমি কোথা থেকে উঠে এসেছি, এটা আমি জানি।

কী বুঝলেন? এটাই তো হওয়ার কথা ছিল, জীবনের উপলব্ধি তো এটাই। তবে জীবনকে উপলব্ধি করতে চাই না আমাদের সবাই। আমরা শেকড়কে ভুলে যাই অনেক সময়। নিজের অতীত ভুলে যাই, নিজে কোথা থেকে উঠে এসেছি সেটা ভুলে যাই। শিখরে উঠে শেকড়কে ভুলে যাওয়া চলবে না। তখন মুলতঃ নিজের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা হয়!

(সংগ্রহীত)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়