প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিটি করপোরেশনের কাছে ওয়াসার খাল হস্তান্তর অগ্রগতি নেই, নগরীতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

সুজিৎ নন্দী : [২] দ্রুত ওয়াসার দায়িত্বে থাকা রাজধানীর প্রায় ৪০টি খালের দায়িত্ব দুই সিটি করপোরেশনকে দিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেয় দুই মেয়র দিলেও বাস্তবে কোন অগ্রগতি নেই। একই সঙ্গে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকও সকল খাল করপোরেশনকে দেয়ার পক্ষে মতামত দেয়। কিন্তু বাস্তবে কোন অগ্রগতি নেই।

[৩] গত একযুগে অব্যাহত এ সমস্যার সমাধানে শতকোটি টাকা ব্যয় করেও সমস্যার সমাধান মেলেনি। অন্যদিকে সমস্যা আরো বাড়ছে। এতে একদিকে নগরবাসী যেমন ত্যাক্ত-বিরক্ত, তেমনি জলাবদ্ধতার দাপটে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে দোষারোপ করছে নগরবাসী।

[৪] সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, দুই মেয়র একটা প্রস্তাব দিয়েছে। সেটি আমরা মিটিংও করেছি। কিন্তু কথা হলো একেক সময় একেক প্রস্তাব আসছে। এক সময় কাজটা সিটি করপোরেশন করতে পারেনি বলেই তো ওয়াসাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন যদি আবারও সিটি করপোরেশন করতে চায় তাহলে তো খুবই ভালো হয়। কারণ কাজটি সিটি করপোরেশনের।

[৫] একাধিক সূত্র জানায়, জলাবদ্ধতা নিরসনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঢাকার খালগুলো পরিষ্কার রাখা এবং সেগুলো নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা। আর এ দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার। কিন্তু ওয়াসা এ কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আবার খালগুলোর জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতিও দেখা যায়নি ওয়াসার।

[৬] ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, খাল রক্ষাণাবেক্ষণের জন্য আমরা জনস্বার্ধে যেকোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত। খালগুলো অবশ্যই সিটি করপোরেশনকে দেওয়া হউক। খালগুলোর যদি সঠিকভাবে পানির প্রবাহ সৃষ্টি না হয় তবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়।

[৭] ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. এমদাদুল হক বলেন, ডিএসসিসির আওতাধীন খালগুলো করপোরেশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করেছি। সেটি কোন পর্যায়ে আছে মন্ত্রণালয় থেকে এখনও কিছু জানায়নি। আশা করছি দ্রুত এটার বিষয়ে উদ্যোগ নেবে মন্ত্রণালয়। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত