শিরোনাম
◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের স্পিকারের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪৯ রাত
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাইরে থেকে কিনে আনা পণ্য-খাবার ভাইরাসমুক্ত রাখার উপায়

ডেস্ক রিপোর্ট : আমরা নানা সময়ে নানা রকমের জিনিসপত্র বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসি। করোনাকালীন সময়ে এসব জিনিসে কোন না কোনভাবে ভাইরাস লেগে থাকতে পারে। যার কারণে আমরা ঘরে বসেও করোনায় আক্রান্ত হতে পারি। তাই বাইরে থেকে জিনিস কিনে আনার পর অবশ্যই তা ভাইরাসমুক্ত করতে হবে।

আসুন জেনে নেই পণ্য সমূহ ভাইরাসমুক্ত করার উপায়:

১. বাজারে যাওয়ার আগে ও বাজার থেকে ফিরে এসে সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালো করে হাত ধোবেন বা অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করবেন।

২. সুযোগ থাকলে নগদ অর্থ ব্যবহার না করে কার্ড ব্যবহার করবেন। তবে কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছুটা ঝুঁকি আছে। তাই কার্ড ব্যবহারের সময় দোকানের কলম ব্যবহার বা পিন নম্বর দেওয়ার জন্য বোতাম চাপতে হলে পাওনা চুকিয়ে দেবার পর হাত ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. রান্না খাবারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রিমণের ঝুঁকি নেই। তবে কাঁচা শাকসবজি, ফলমূলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে। এগুলো সবকিছু ভালো করে কলের ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে তারপর সেগুলো ব্যবহার করবেন।

৪. প্লাস্টিকের প্যাকে, টিনে বা কাঁচের পাত্রে বিক্রি হচ্ছে এমন কিছু কিনলে সেগুলো ৭২ ঘণ্টা না ছুঁয়ে সরিয়ে রেখে দেবেন। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে চাইলে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার তরল পদার্থ (ব্লিচ জাতীয় ডিসইনফেকেটন্ট) দিয়ে মুছে নিন। তবে কড়া ব্লিচ ব্যবহার করবেন না। বোতলের গায়ে দেখে নেবেন কতটা পরিমাণ পানি মিশিয়ে তা হালকা করে নিতে হয়।

৫. অনলাইন শপগুলোর বাসায় পৌঁছে দেওয়া খাদ্যসামগ্রী এক অর্থে ঝুঁকি কমায়, কারণ এক্ষেত্রে লোকের ভিড়ে যেতে হয় না। কিন্তু এক্ষেত্রেও ঝুঁকি আছে। অনলাইন শপের ডেলিভারি দেওয়া পণ্য অন্য কেউ হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করেছে কি-না, যে ব্যাগ বা বাক্সে করে বাজার আনা হয়েছে সেগুলো কারা ধরেছে এবং যে ড্রাইভার হাতে করে বাজার পৌঁছে দিচ্ছে তিনি সংক্রমিত বা জীবাণু বহন করছে কি-না এসব ভাবার বিষয়।

এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যে বাজার নিয়ে এসেছে তাকে নিরাপদ দূরত্ব থেকে বাজারের ব্যাগ নামিয়ে চলে যেতে বলুন। কেনা জিনিসগুলো কাঁচা বাজার হলে কলের ঠাণ্ডা পানিতে সেগুলো ধুয়ে শুকিয়ে তুলে রাখুন। আর বোতল, প্যাকেট বা টিন হলে জীবাণুমুক্ত করার জন্য ঘরে ব্যবহারযোগ্য ব্লিচ পাতলা করে গুলে সেগুলো মুছে নিন। খেয়াল রাখবেন ব্লিচ যেন খাদ্যদ্রব্য স্পর্শ না করে।

৬. রান্না করা গরম খাবার, যদি তা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত করা হয় এটা থেকে কোনো ঝুঁকি থাকে না। তবে এক্ষেত্রে গরম খাবার কিনবেন ও বাসি খাবার ভালো করে গরম করে খাবেন, যাতে কোনো জীবাণু থাকলে গরম করার সময় মরে যায়।’

৭. বাজার থেকে খাবার যে প্যাকেট বা বাক্সে করে আসবে, সেগুলো ঘরে আনার সঙ্গে সঙ্গে বিনে ফেলে দিন ও খাবার গরম করে খান। খাবার আগে অবশ্যই বিশ সেকেন্ড ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

সূত্র : সময় টিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়