শিরোনাম
◈ ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৩২ রুটে বাস ফ্র্যাঞ্চাইজি চালুর নির্দেশ সরকারের ◈ যে ৪ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে ◈ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই ◈ চালের বাজারে অস্থিরতা: পরিবহন ব্যয় ও ধানের দাম বৃদ্ধিতে কেজিতে বেড়েছে ২-৪ টাকা! ◈ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় অটোরিকশার চালক সুমন গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশ পুলিশে বড় নিয়োগ, আবেদন যেভাবে ◈ ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোস্টাল ভোটিং প্রযুক্তি নিতে চায় নেপাল-শ্রীলঙ্কা ◈ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ অধিদপ্তরে জনবলসংকট, ৬৪ পদের ৫৯টিই শূন্য ◈ মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ মার্কিন ও ভারতীয় ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩১ দুপুর
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এশিয়ার অন্যান্য দেশ চীনা পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণ করুক তা চায় ভারত

রাশিদ রিয়াজ : [২] চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পর লাদাখে সেনা অবস্থান নিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হওয়ায় নয়াদিল্লি চাচ্ছে তার প্রতিবেশি দেশগুলো চীন পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ আনুক। রয়টার্সকে ভারতের দুটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে এশিয়ার অনেক দেশ থেকে আসা পণ্যের মান আরো উন্নত করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ ছাড়াও কঠোর বিধিনিষেধ ও ঘন ঘন যাচাই করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

[৩] ধাতব, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের জন্যে ইলেক্টনিক যন্ত্রাংশ, আসবাবপত্র, চামড়াজাত পণ্য, খেলনা, রাবার, বস্ত্র, এয়ারকন্ডিশনার, টেলিভিশন সহ অন্যান পণ্যের ক্ষেত্রে এধরনের কঠোর বিধি নিষেধ আরো করতে যাচ্ছে ভারত।

[৪] গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক নোটিশ জারি করে বলেছে টেলিভিশনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিশেষ লাইসেন্স প্রয়োজন হবে। এধরনের নোটিশের ফলে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের মত দেশগুলোর ভারতে পণ্য রফতানি বিঘ্নিত হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ব্যাপক পণ্য ভারতে রফতানিয়েও শঙ্কিত রয়েছে নয়াদিল্লি।

[৫] তবে আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক বর্তমানে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি করে খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না ভারত। কারণ পাল্টা ভারতীয় পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি করবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো। তাই আমদানিকৃত পণ্যের মানের ওপর জোর দিয়েছে ভারত।

[৬] ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন এশিয়ার অনেক দেশের শিল্পই চীনা যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরশীল। এসব পণ্যের ওপরই টার্গেট করছে ভারত। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করায় ভারতের সঙ্গে এসব দেশের বাণিজ্য ঘাটতিও রয়েছে।

[৭] লাদাখে চীনা সেনাদের হাতে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হবার পর ভারত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ভাবলেও বাণিজ্য চীনের অনুকূলে রয়েছে ৫৩.৫৭ বিলিয়ন ডলার। দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্যে পরিমান হচ্ছে ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

  • সর্বশেষ