শিরোনাম
◈ বা‌র্সেলেনার কা‌ছে শি‌রোপা হারা‌নোর পর সুপার কাপকে কম গুরুত্বপূর্ণ বললেন রিয়াল মা‌দ্রিদ কোচ ◈ প্রাক-নির্বাচনী জরিপে জামায়াতের চেয়ে ১.১% এগিয়ে বিএনপি ◈ ক্রীড়া উপদেষ্টার দেওয়া বক্তব্য আইসিসির সরাসরি কোনো জবাব নয় বলে জানালেন উপ-প্রেস সচিব ◈ নির্বাচন ডাকাতি আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ বিতর্কিত তিন নির্বাচন নিয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন জমা ◈ ঢাকায় নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ◈ জাপানে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য—জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে আকিয়ে আবের সঙ্গে ইউনূসের বৈঠক ◈ শ্রমিকের অধিকার নিজেরা  ছিনিয়ে না নিলে কখনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না: মঈন খান ◈ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচিবালয়ে ব্যানার ◈ চার দেশের বাংলাদেশ মিশনের প্রেস সচিবকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:০০ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১০০ জনে ২৮ জন কোভিডের শিকার চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলায়

চট্টগ্রাম প্রতিদিন প্রতিবেদন : চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলায় প্রতি ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হচ্ছেন ২৮ জন। বাকি ৭২ জনের ফলাফল আসছে নেগেটিভ। অন্যদিকে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে এসব এলাকায় মৃত্যুর হার ১.৪২ শতাংশ।

২৮ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলা থেকে মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে মোট ১০ হাজার ৭৬৯টি। এর মধ্যে ৮ হাজার ৫৯৮টি নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৪৮ জন। যা শতকরা হিসেবে মোট পরীক্ষা ২৮.৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩৫ জন। এই সময় পর্যন্ত এসব উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা ২ হাজার ১৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা যায়নি।

১৪টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে হাটহাজারী থেকে। এই উপজেলা থেকে ১ হাজার ৫০৬টি নমুনা সংগ্রহ করার পর এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ৩০০টি। উপজেলার হিসেবে সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষাও হয়েছে এই উপজেলায়।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ থেকে। ২৮ জুন পর্যন্ত এই উপজেলা থেকে মোট ২৪৭টি নমুনা পাঠানো হয়েছে। তবে পরীক্ষার কথা ধরলে, সবচেয়ে কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মিরসরাইয়ে। সন্দ্বীপের পাশের এই উপজেলা থেকে ৩১৪টি নমুনা পাঠানো হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২২৪টি। অন্যদিকে সন্দ্বীপ থেকে পাঠানো ২৪৭টি নমুনার ২৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে এই ১৪ উপজেলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে সীতাকুণ্ড উপজেলায়— ৭ জন। এছাড়া পটিয়ায় ৫ জন, রাঙ্গুনিয়া-লোহাগাড়ায় ৪ জন করে ৮ জন, সাতকানিয়া ও হাটহাজারীতে ৩ জন করে ৬ জন, বোয়ালখালী ফটিকছড়িতে ২ জন করে ৪ জন, বাঁশখালী, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ, চন্দনাইশ ও রাউজানে ১ জন করে মোট ৫ জন মারা গেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়