প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিদিন বেচাকেনা হচ্ছে ৪০ কোটি টাকার

ইসমাঈল আযহার: [২] শতভাগ নিরাপদ ও পরিপক্ক করেই বাজারজাত হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে সরগরম এখন আমের রাজধানী। জেলাজুড়ে প্রতিদিন বেচা-কেনা হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকার আম। এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

[৩] গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আম বেচা-কেনা চললেও; চাঁপাইনবাবগঞ্জে মূলত আমের বাজার জমে উঠেছে চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে। সুখ্যাতি থাকায় জেলার পাইকারি বাজারগুলোতেও আনাগোনা বেড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যাপারীদের। এতে চাঙ্গা হচ্ছে আম নির্ভর এ জেলার অর্থনীতি।

[৪] চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি আমের বাজার করোনাকালে আমের বাজার ও দাম পাওয়া নিয়ে আমচাষিদের মাঝে যে দুশ্চিন্তা ছিল ভালো দাম পাওয়ায় তা কেটে গেছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব ও প্রাকৃতিক বৈরিতায় আমের উৎপাদন এবার অনেক কম হলেও শতভাগ নিরাপদ এবং চাহিদা ভালো থাকায় এবার আমের দামও বেশ চড়া। এতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন চাষিরা।

[৫] আমচাষিরা জানান,‘এবার আমের উৎপাদন কম হলেও ভালো দাম পাওয়ায় তারা খুশি। করোনাকালে আমের চাহিদাও ভালো।’

[৬] বর্তমানে প্রতিমণ খিরসাপাত বিক্রি হচ্ছে কোয়ালিটি অনুযায়ী ৩২০০ থেকে ৪৫০০ টাকায়, ল্যাংড়া বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়, লক্ষণা বিক্রি হচ্ছে ১০০০ হাজার থেকে ১২০০ টাকায় এবং বিভিন্ন জাতের গুটি আম বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা মণ দরে।

[৭] কানসাট আম আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি কাজী এমদাদ জানান,‘প্রতিদিন আমবাগান ও জেলার পাইকারি বাজারগুলো থেকে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক আম যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কানসাট আম বাজারে প্রতিদিন বেচা-কেনা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার আম। সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে বেচা-কেনার পরিমাণ। ’

[৮] তিনি জানান,‘এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৩ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ করা হয়েছে। আর আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার মেট্রিক ট্রন।

[৯] সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাইয়ের শুরুতে বাজারে আসবে আম্রপালি, ফজলি, ব্যানানা ম্যাংগো, বারি-৪, কোয়াপাহাড়ি, ফনিয়া, আরাজাম, জহুরি ও মল্লিকা। আর জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে পাওয়া যাবে আশ্বিনা, গৌড়মতি ও কাটিমন। যা বাজারে থাকবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

সর্বাধিক পঠিত