শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২০, ১১:২২ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুন, ২০২০, ১১:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোটালীপাড়ায় ছাত্রীদের অনৈতিক প্রস্তাব, শিক্ষক বহিস্কার

কোটালীপাড়া প্রতিনিধি: [২] গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ছাত্রীদের উত্যক্ত ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে এক শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। ওই শিক্ষককের এই কুকর্মের তদন্তে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ থেকে এই তদন্ত কমিটিকে ৭দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

[৩] জানা গেছে, উপজেলার কোটালীপাড়া এস এন ইনষ্টিটিউশনের শিক্ষক মিলন হোসেন ৮ বছর আগে বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান বিভাগে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর থেকেই তিনি ছাত্রীদের উত্যক্ত ও অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একাধিক ছাত্রীকে উত্যক্ত ও অনৈকিত প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিদ্যালয়টিতে একাধিক বার সালিশ বৈঠক হয়েছে।

[৪] সর্বশেষ গত বুধবার কলেজ পড়ুয়া ওই বিদ্যালয়টির এক সাবেক ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার অভিভাবকদের জানায়। ওই ছাত্রীর অভিভাবক ঘটনাটি বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আতিকুজ্জামান বাদলকে জানান।

[৫] বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আতিকুজ্জামান বাদল বলেন, মিলন হোসেন এই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই একাধিক ছাত্রীকে উত্যক্ত ও অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয় নিয়ে বিদ্যালয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। মিলন হোসেন মেধাবী শিক্ষক হওয়ার কারণে এতোদিন তাকে বিদ্যালয়ে রেখেছি। তাকে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু সে সংশোধন হয়নি। তাই তাকে আমরা সাময়িক ভাবে বহিস্কার করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যদি সে দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে আমরা চুড়ান্ত সিন্ধান্ত নিবো। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ