শিরোনাম
◈ বন্ধ ছি‌লো পাঁচ বছর, আবারো চালু হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার  ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প বল‌লেন,  নিরাপত্তার খাতিরে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ঠিক হবে না  ◈ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব: দেশে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম ◈ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: শনিবারও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল ◈ শীর্ষ ইরানি নেতাদের তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা ◈ জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পারের অনুমতি দেবে ইরান ◈ যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের দাবি: ইরান আত্মসমর্পণের পথে ◈ গ্রিড লাইনে সমস্যায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট বন্ধ, ঘাটতি ৫৭০ মেগাওয়াট ◈ ইরানের ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করতে পারে: বিশ্লেষক ◈ ঘটনাবহুল ম্যাচে বাংলাদেশকে হা‌রি‌য়ে  সিরিজ সমতায় পা‌কিস্তান

প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২০, ১১:৫২ দুপুর
আপডেট : ২৮ জুন, ২০২০, ১১:৫২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আসলেই কি আইসিউ ঘাটতি নেই?

তন্নীমা আক্তার : নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী এবং বিভাগীয় শহরের বাইরে বেড়ে চলেছে গুরুতর রোগীর সংখ্যা। আর জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা।  বিবিসি বাংলা

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে মোট ১৪০৮৭টি শয্যা আছে। এর বিপরীতে ৪৮৪৪ জন রোগী ভর্তি আছে। অর্থাৎ হাসপাতালের প্রায় ৬৫ শতাংশ শয্যা খালি আছে।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য ৩৮৮টি আইসিইউ শয্যা আছে। এর বিপরীতে রোগী আছে ১৯১ জন। অর্থাৎ ১৯৭টি আইসিইউ শয্যা খালি আছে।

ঢাকার একজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন কয়েকদিন আগে তার বাবা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আইসিইউতে একটি শয্যা জোগাড় করার জন্য পুরো রাত ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ধর্না দিয়েছেন তিনি।

ঐ ব্যক্তি বলেন, "ডাক্তাররা বলেছিল, আপনাদের আইসিইউ দরকার হতে পারে, আপনারা খুঁজতে থাকুন। তখন আমরা পাগলের মতো খুঁজেছিলাম। কোন হসপিটাল থেকে রেসপন্স পাইনি।"

একথা ঠিক যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি কোভিড-১৯ রোগী বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন অথবা তাদের হাসপাতালে যাবার প্রয়োজন হচ্ছেনা।

অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন হাসপাতালের চরম অব্যবস্থাপনা নিয়ে রোগী এবং তাদের পরিবারের মধ্যে এক ধরণের ভয়ও তৈরি হয়েছে। সেজন্য অবস্থা একেবারে খারাপ না হলে কেউ হাসপাতালে যেতে চায় না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একদিকে বলছে আইসিইউ শয্যা খালি আছে, অন্যদিকে বিভিন্ন রোগীর পরিবার বলছে হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা পাওয়া যায়না। এ অবস্থা কেন তৈরি হলো?

"এই পরিসংখ্যানটা যদি জানানো হতো, মানুষজনও তাহলে সে অনুযায়ী এলাকা বাছাই করে যেতে পারতো এবং চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারতো," বলেন মি: ইসলাম।

রোগীদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, কোন কোন হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা খালি থাকলেও সেটি সাধারণ রোগীদের দেবার ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনীহা দেখায়।

মহামারির এ পরিস্থিতিতে আইসিইউতে দু-একটি শয্যা সবসময় বিশেষ প্রয়োজনে খালি রেখে দেয়া হয় বলে সাধারণ রোগীদের অভিযোগ।তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরণের কোন অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়