প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপদসীমার ওপরে,৮ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মুরাদ হাসান, জেরিন :[২] এসব জেলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ডুবে গেছে। এছাড়া ৫ জেলায় নদনদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

[২] পানি উন্নয়ন বরাত দিয়ে প্রতিনিধি স্বপ্না আক্তার জানান, গতকাল সকাল ৬টা থেকে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে তিস্তার চরাঞ্চলে পানি উঠেছে।

[৩] লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪টি জলকপাট খুলে খুলে দেয়া হয়েছে।

[৪] দিনাজপুর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা পুনর্ভবা নদীর ৩৩ দশমিক ৫০০ মিটার বিপদসীমার বিপরীতে বর্তমানে পানির স্তর রয়েছে ৩১ দশমিক ৫১ মিটার। আত্রাই নদীর ৩৯ দশমিক ৬৫০ মিটারের বিপৎসীমার বিপরীতে বর্তমানে ৩৮ দশমিক ৬৭মিটার ও ইছামতি নদীর ২৯ দশমিক ৯৫০ বিপৎসীমার বিপরীতে ২৭ দশমিক ৩৫ মিটারে অবস্থান করছে। প্রতিনিধি তাহেরুল আনাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

[৫] কুড়িগ্রামে ধরলার পানি ৮ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রতিনিধি সৌরভ ঘোষ এ তথ্য জানান।
[৬] উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে যমুনা নদীর পানি আবারো বাড়তে শুরু করেছে। ২৮ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

[৭] প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম জানান, তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গাইবান্ধার চার উপজেলার দীর্ঘ চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার পাট, কাউন, চিনাসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষেত ডুবে গেছে।

[৮] যমুনা নদী অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার প্রায় ৩০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শন করে তথ্য পাঠিয়েছেন প্রতিনিধি রেজাউল করিম।

সর্বাধিক পঠিত