শিরোনাম
◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ ◈ সোবহানার সেঞ্চুরি কা‌জে আস‌লো না, বাংলাদেশ নারী দল‌কে বড় ব‌্যবধা‌নে হা‌রি‌য়ে সি‌রিজ জিত‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া ◈ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ড ২১৯৩ জন ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাংচুর: ১ কোটি টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২০, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২০, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনায় নির্মাণশিল্প উৎপাদনে মে মাসে ফের ধস জার্মানির

মুসা আহমেদ: [২] জার্মানিতে করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত দেশটির নির্মাণশিল্প প্রতিষ্ঠান। এপ্রিলের মত মে মাসেও এ খাতে ধস কাটাতে পারছে না ইউরোপের শীর্ষ অর্থনীতির এ দেশটি। রয়টার্স

[৩] সোমবার দেশটির অর্থনৈতিক বিষয়ক এক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে নিমার্ণশিল্পে চাহিদা ব্যাপক ধস হওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন বহুকর্মী। ফলে ব্যাপক হতাশায় চলছে এ ব্যবসা।

[৪] আন্তর্জাতিক তথ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইএইচএস মার্কিতের চূড়ান্ত ক্রয় ব্যবস্থাপনা সূচকে মে জার্মানির নির্মাণশিল্পে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬.৬ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিলো ৩৪.৫ শতাংশ। এক্ষেত্রে ফ্ল্যাশ রিডিং ছিলো ৩৬.৮ শতাংশ।

[৫] এ বিষয়ে সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিল স্মিথ বলেন, করোনা মোকাবেলায় দেশজুড়ে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে এরইমধ্যে বেশকিছু নির্মাণশিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে চাহিদা ব্যাপক কমে যাওয়ায় উৎপাদনও কম হচ্ছে। চলতি মাসে নির্মাণশিল্প পণ্যের ক্রয়াদেশও মে মাসের চেয়ে অনেক কমেছে, যার প্রমাণও মিলেছে জরিপে।

[৬] তিনি বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে নির্মাণশিল্পে উৎপাদন সর্বোচ্চ হওয়ার পর করোনা মহামারীর কারণে এই প্রথম ধস দেখলো দেশটি। ইতিমধ্যে এ খাতে উৎপাদন কমেছে ৭-৮ শতাংশ। কোন কোন অঞ্চলে এর মাত্রা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিলের চেয়েও মে উৎপাদনে অনেক ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। অপ্রত্যাশিত উৎপাদন কার্যক্রম ও ব্যবসায়ে অনিশ্চয়তার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক আকারে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। যা বিগত ১১ বছরেও দেখেনি জার্মানি।

  • সর্বশেষ