শিরোনাম
◈ বালু থেকে চিপ শিল্পের পথে বাংলাদেশ : ৮ নদীর বালুতে সেমিকন্ডাক্টরের সম্ভাবনা, সংগ্রহ করা হয়েছে ৬৬০০ নমুনা ◈ ২০০ কি.মি.র ভোগান্তি শেষ: যমুনায় ২ নদীবন্দরে বদলে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি ◈ আগস্টের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৩৯ কোটি ডলার ◈ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার ◈ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল ◈ সি‌রি‌জের প্রথম টেস্টে বৃহস্প‌তিবার বাংলা‌দেশ-অ‌স্ট্রেলিয়া মু‌খোমু‌খি, ৪ পেসার নিয়ে খেলবে টাইগাররা ◈ পুলিশে বড় রদবদল, কমিশনার-ডিআইজি-এসপিসহ বদলি ২৩ কর্মকর্তা ◈ ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন রাজনৈতিক জোকার: চিফ প্রসিকিউটর (ভিডিও) ◈ বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ◈ বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২০, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২০, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনায় নির্মাণশিল্প উৎপাদনে মে মাসে ফের ধস জার্মানির

মুসা আহমেদ: [২] জার্মানিতে করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত দেশটির নির্মাণশিল্প প্রতিষ্ঠান। এপ্রিলের মত মে মাসেও এ খাতে ধস কাটাতে পারছে না ইউরোপের শীর্ষ অর্থনীতির এ দেশটি। রয়টার্স

[৩] সোমবার দেশটির অর্থনৈতিক বিষয়ক এক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে নিমার্ণশিল্পে চাহিদা ব্যাপক ধস হওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন বহুকর্মী। ফলে ব্যাপক হতাশায় চলছে এ ব্যবসা।

[৪] আন্তর্জাতিক তথ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইএইচএস মার্কিতের চূড়ান্ত ক্রয় ব্যবস্থাপনা সূচকে মে জার্মানির নির্মাণশিল্পে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬.৬ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিলো ৩৪.৫ শতাংশ। এক্ষেত্রে ফ্ল্যাশ রিডিং ছিলো ৩৬.৮ শতাংশ।

[৫] এ বিষয়ে সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিল স্মিথ বলেন, করোনা মোকাবেলায় দেশজুড়ে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে এরইমধ্যে বেশকিছু নির্মাণশিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে চাহিদা ব্যাপক কমে যাওয়ায় উৎপাদনও কম হচ্ছে। চলতি মাসে নির্মাণশিল্প পণ্যের ক্রয়াদেশও মে মাসের চেয়ে অনেক কমেছে, যার প্রমাণও মিলেছে জরিপে।

[৬] তিনি বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে নির্মাণশিল্পে উৎপাদন সর্বোচ্চ হওয়ার পর করোনা মহামারীর কারণে এই প্রথম ধস দেখলো দেশটি। ইতিমধ্যে এ খাতে উৎপাদন কমেছে ৭-৮ শতাংশ। কোন কোন অঞ্চলে এর মাত্রা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিলের চেয়েও মে উৎপাদনে অনেক ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। অপ্রত্যাশিত উৎপাদন কার্যক্রম ও ব্যবসায়ে অনিশ্চয়তার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক আকারে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। যা বিগত ১১ বছরেও দেখেনি জার্মানি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়