শিরোনাম
◈ মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু ◈ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বিস্তারিত যে তথ্য চাইলো ঢাকা ◈ মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মিয়ামির দাপু‌টে জয় ◈ চিকিৎসা নিতে এসে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ঢামেকের রোগীরা ◈ ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি ◈ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যেভাবে মিলবে ◈ বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ মাতারবাড়ী বন্দরকে শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় জাপান, যুক্ত হবে ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল ◈ নুডলস খেয়ে নয় যে কারণে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২০, ০৭:১৬ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২০, ০৭:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা রোগীর সংস্পর্শে এলেও চমেকের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মচারীরা আইসোলেশনে যেতে পারবেন না

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] যদি সংশ্লিষ্ট কোনও ব্যক্তি রোগীর সংস্পর্শে এসে আইসোলেশনে যান তবে তিনি অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য হবেন। একইসঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী পাবেন না বলেও জানানো হয়। শনিবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের (চমেক) অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

[৩] বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, চমেকে কর্মরত ব্যক্তির আবাসন, বাড়ি বা ফ্লাট লকডাউন হলেও সেই আওতার বাইরে এসে কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে হবে। নোটিশটির তৃতীয় দফায় বলা হয়, চমেক থেকে চিকিৎসকদের জন্য কোনও সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের সুযোগ নেই। যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আইসোলেশন, পিপিই বিষয়ক একটি নির্দিষ্ট পলিসি অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে চমেক ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

[৪] চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ শামীম হাসান বলেন, আমাদের একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে গৃহীত খণ্ড খণ্ড সিদ্ধান্তগুলোকেই পরবর্তীকালে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়। নির্দেশনাটি লেখার সময় কিছু ভুল হয়ে গেছে, একটু কড়া ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, এগুলো সংশোধন করে নির্দেশনাটি আবার দেয়া হবে।

[৫] নির্দেশনায় যেসব বিষয়ে সংশোধনী আনবেন সেসব বিষয়ে তিনি বলেন প্রথম দফায় হবে, চমেকের যেসব চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোভিড-১৯ পজিটিভ হবেন তারা চিকিৎসা নিয়ে ১০ দিন পরে যদি সুস্থ হন তখন কাজে যোগ দান করবেন। দ্বিতীয় দফায় হবে, যেসব চিকিৎসক পিপিই পরে রোগী দেখছেন, তারা করোনা পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে গেলে আইসোলেশনে না গিয়ে পরের দিনও রোগী দেখবেন। কারণ কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে আসা মানেই আক্রান্ত হওয়া না। সংস্পর্শে এলেই যদি আইসোলেশন এ চলে যান তাহলে চিকিৎসা চলবে কিভাবে। তৃতীয় দফায়, যদি কোনও চিকিৎসকের বাসা লকডাউনের আওতায় পড়লেও তাকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। চতুর্থ দফা, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়। মেডিক্যাল কলেজ চিকিৎসকরা চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করে থাকে, এক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষের চিকিৎসকদের সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ একটা চক্র আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। মিটিংয়ে নেয়া কিছু সিদ্ধান্ত রূঢ় ভাষায় লিখে এবং সেটি ফেসবুক এ ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করা হচ্ছে।

[৬] স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং কোভিড -১৯ বিষয়ক মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমিও এরকম একটা অর্ডারের কথা শুনেছি, আমি এখনও দেখিনি। কাল দেখবো। কারোরই পুরোপুরি অথোরিটি নাই কঠিন কোনও আদেশ করার। যেকোনও আদেশই সেন্ট্রাল আদেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করতে হবে। তবে সেন্ট্রালের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এমন কোনও আদেশ আদেশ জারি করলে তাকে অনুরোধ করবো সেটি প্রত্যাহার করতে।

[৭] এ আদেশকে ‘অবাক আদেশ’ মন্তব্য করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন এবং আমাদের সরকারের নির্দেশনা সবকিছুর সঙ্গে এটা অসঙ্গতিপূর্ণ। তিনি এগুলো কোথায় পেলেন সেটা নিয়ে আগামীকাল তার সঙ্গে কথা হবে। বাংলাট্রিবিউন

  • সর্বশেষ