শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২০, ০৮:৪৩ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২০, ০৮:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল হাসান মামুন : রেকর্ড সংখ্যক টেস্ট করিয়ে রেকর্ড সংখ্যক করোনা শনাক্ত

কামরুল হাসান মামুন : একদিনে ২৫০০ সনাক্ত। টের পাচ্ছেন কি ভয়াবহ দিন আসছে? সরকার কোন ভাবনা থেকে সব কিছু খুলে দিচ্ছে আমার মাথায় ঢুকছে না। অনেকদিন ধরে বলতেছিলাম যে যত বেশি পরীক্ষা করবেন তত বেশি সনাক্ত হবে। মার্চের মাঝামাঝি যদি ১০ হাজার করে টেস্ট করিয়ে সনাক্তদের আলাদা করে রাখতে পারতাম তাহলে তখনও লক ডাউনের প্রয়োজন হতো না এবং আজকের অবস্থায় আসতামই না। আর আজকে যদি ৫০ থেকে ৮০ হাজার টেস্ট কিংবা ১ লক্ষ টেস্ট প্রতিদিন করাতে পড়তাম তাহলেও লকডাউনের প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমরাতো কোন মডেলই ফলো করছি না। যৎসামান্য টেস্ট করিয়ে যদি সব কিছু খুলে দেই দেশের ডিজাস্টার আসবে যেটা আমরা হ্যান্ডেল করতে পারব না। যেই অর্থনীতি বাঁচানোর জন্য সব কিছু খুলে দিলাম সেই অর্থিনীতি এবং সাথে জীবনের মৃত্যু ঘটবে।

আমি যখন ১৩ই মার্চে বলেছিলাম ইতালি ফেরতদের কোয়ারান্টিনে নেন। তখন তাদের চার কিংবা পাঁচ তারকা হোটেলে কোয়ারান্টিনে নিতে কত খরচ হতো? আমার কথা শুনেননি। সামান্য টাকা বাঁচাতে গিয়ে আজ আমরা জীবন এবং জীবিকা দুটোরই বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসছি। এখন আমাদের একটি ভালো পথই খোলা আছে। সেটা হলো লক্ষ লক্ষ টেস্ট করে সনাক্তদের আইসোলেট করে বাকিদের স্বাভাবিক জীবনে থাকতে দিন।

আমাদের কিছু মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবী আছে যারা আগে দেখে সরকার কি করতে চাচ্ছে। এইটা বোঝা হয়ে গেলে সরকারের আগে সরকারের ইচ্ছাকে জনপ্রিয় করতে লুঙ্গি কাঁচা দিয়ে লেগে পরে। গায়ে লুঙ্গি আছে কিনা সেদিকেও নজর থাকে না। এরা এত দলদাস হয় কিভাবে? আমার কাছে এদের দেশদ্রোহী মনে হয়।

যা হচ্ছে তা দেখে মনে হচ্ছে আমরা এখন ডারউইন তত্বের উপর সব ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের সবাইকে এখন গ্ল্যাডিয়েটর হতে হবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ