শিরোনাম
◈ যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পের ছেলেদের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনছে মার্কিন বিমানবাহিনী ◈ পাক-আফগান সীমান্তে ভারতের মদদপুষ্ট ১৩ সন্ত্রাসী নিহত ◈ ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেলো ইসলামী ব্যাংক ◈ সিলেটে চালু হতে যাচ্ছে আরও একটি বিমানবন্দর ◈ এক ডলারে ১৮ লাখ রিয়াল, ইরানের মুদ্রার রেকর্ড পতন ◈ ভোরের বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ◈ শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন, ২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাস ◈ যে চেয়ারে বসেছি এটা খুব কঠিন একটি চেয়ার, প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি আগুনের তাপ আসছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ ৩৭ হাজার কোটি টাকার উড়োজাহাজ চুক্তি, ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রয় বিমানের ◈ বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বক্তব্যে তোলপাড়, কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মিনেসোটায় সিএনএন’এর সাংবাদিকদের গ্রেফতারের কয়েক মিনিট পর মুক্তি (ভিডিও)

রাশিদ রিয়াজ : [২] যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় দাঙ্গা পরিস্থিতির নিউজ লাইভ করছিলেন সিএনএন’এর সাংবাদিক ওমর জিমেনেজ। পাশেই ক্যামেরাম্যান সে ছবি ধারণ করছিলেন। প্রযোজক দিক নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। আর সিএনএন টিভিতে সে নিউজ সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল। এসময় হঠাৎ বেশ কয়েকজন পুলিশ দৌড়ে এসে প্রথমে ক্যামেরামানকে হ্যান্ডকাফ পরান। এরপর সাংবাদিক ওমরকে। সিএনএন

[৩] এ ঘটনার পর সিএনএন’র প্রেসিডেন্ট জেফ জাকার মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়াল্জে’এর সাথে কথা বলেন। গভর্নর টিম এঘটনায় গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন এ ধরনের গ্রেফতারের ঘটনা অগ্রহণযোগ্য এবং সিএনএন’র সাংবাদিকদের সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার আছে। তিনি যথাশীঘ্র সাংবাদিকদের মুক্তির ব্যবস্থা করছেন বলে জানান।

[৪] লাইভ চলাকালে পুলিশ নাটকীয়ভাবে এ ঘটনা ঘটায়। সিএনএন স্টুডিও থেকে উপস্থাপকদের বলতে শোনা যায় এধরনের ঘটনা তারা এর আগে কখনো দেখেননি। মিনেসোটার পরিস্থিতির বর্ণনা দিচ্ছেন সাংবাদিক ওমর আর এর মধ্যেই পুলিশ তাকে হ্যান্ডকাফ পরাচ্ছে। তবে গ্রেফতারের কয়েক মিনিট পর তাদের সকলেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

[৫] পুলিশ সিএনএন’এর ওই তিন সংবাদকর্মীকে নিয়ে যেতে থাকলেও ক্যামেরা অন ছিল এবং তাও সিএনএন সম্প্রচার করে। হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় ওমর পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পরিচয় দিলেও তাতে পাত্তাই দেননি তিনি। ক্যামেরা অন দেখেও পুলিশকে নিরুপায় দেখা যায়। কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ লয়েডকে গ্রেফতারের সময় নির্যাতনে সে মৃত্যু বরণ করলে এর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক প্রতিবাদ, দাঙ্গা, ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়