শিরোনাম
◈ সমন্বিত উদ্যোগে দুই মহাসড়কে কমেছে যানজট, ফিরছে স্বস্তি ◈ লিমন–বৃষ্টি নিখোঁজের পর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কি করেছিল সন্দেহভাজন খুনি, গতিবিধিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ চীন থেকে চোরাচালান: দুই বিদেশিসহ তিনজন কারাগারে ◈ গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি ◈ এআইতে করা প্রশ্ন কি সত্যিই গোপন থাকে?—বাস্তবতা, ঝুঁকি ও করণীয় ◈ বসুন্ধরা চেয়ারম্যানসহ পরিবারের ৪ সদস্যের বিদেশযাত্রার অনুমতি মেলেনি ◈ রাজধানীতে শতভাগ পাম্পে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস! ◈ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প জোরদার করা হবে : অর্থমন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে কয়লা ◈ আলোচনার টেবিলে আসার ইঙ্গিত, ট্রাম্পের প্রস্তাব পর্যালোচনায় ইরান

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মিনেসোটায় সিএনএন’এর সাংবাদিকদের গ্রেফতারের কয়েক মিনিট পর মুক্তি (ভিডিও)

রাশিদ রিয়াজ : [২] যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় দাঙ্গা পরিস্থিতির নিউজ লাইভ করছিলেন সিএনএন’এর সাংবাদিক ওমর জিমেনেজ। পাশেই ক্যামেরাম্যান সে ছবি ধারণ করছিলেন। প্রযোজক দিক নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। আর সিএনএন টিভিতে সে নিউজ সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল। এসময় হঠাৎ বেশ কয়েকজন পুলিশ দৌড়ে এসে প্রথমে ক্যামেরামানকে হ্যান্ডকাফ পরান। এরপর সাংবাদিক ওমরকে। সিএনএন

[৩] এ ঘটনার পর সিএনএন’র প্রেসিডেন্ট জেফ জাকার মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়াল্জে’এর সাথে কথা বলেন। গভর্নর টিম এঘটনায় গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন এ ধরনের গ্রেফতারের ঘটনা অগ্রহণযোগ্য এবং সিএনএন’র সাংবাদিকদের সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার আছে। তিনি যথাশীঘ্র সাংবাদিকদের মুক্তির ব্যবস্থা করছেন বলে জানান।

[৪] লাইভ চলাকালে পুলিশ নাটকীয়ভাবে এ ঘটনা ঘটায়। সিএনএন স্টুডিও থেকে উপস্থাপকদের বলতে শোনা যায় এধরনের ঘটনা তারা এর আগে কখনো দেখেননি। মিনেসোটার পরিস্থিতির বর্ণনা দিচ্ছেন সাংবাদিক ওমর আর এর মধ্যেই পুলিশ তাকে হ্যান্ডকাফ পরাচ্ছে। তবে গ্রেফতারের কয়েক মিনিট পর তাদের সকলেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

[৫] পুলিশ সিএনএন’এর ওই তিন সংবাদকর্মীকে নিয়ে যেতে থাকলেও ক্যামেরা অন ছিল এবং তাও সিএনএন সম্প্রচার করে। হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় ওমর পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পরিচয় দিলেও তাতে পাত্তাই দেননি তিনি। ক্যামেরা অন দেখেও পুলিশকে নিরুপায় দেখা যায়। কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ লয়েডকে গ্রেফতারের সময় নির্যাতনে সে মৃত্যু বরণ করলে এর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক প্রতিবাদ, দাঙ্গা, ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়