শিরোনাম
◈ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুর নিয়ে যা জানাগেল ◈ ভূমি জটিলতা নিরসনে যাচাই-বাছাই, গড়ে উঠছে ল্যান্ড ব্যাংক ◈ জাতিসংঘে ড. ইউনূসের বক্তব্য, তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে যা বললেন (ভিডিও) ◈ রাশিয়ার ‘গেরান-৫’ ড্রোন: ঘণ্টায় ৬০০ কিমি গতি, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ভিডিও) ◈ কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্য তহবিলের সুদহার নির্ধারণ ◈ জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাত, ১৯ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ ◈ মঙ্গলবার ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ ‘আমি ভারতীয় হলে আমার ছোট ভাই বাংলাদেশি কীভাবে?’ ছত্তিশগড়ে বাঙালি আটক

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐক্যফ্রন্ট কি ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে?

রাশিদ রিয়াজ : সরাসরি রাজনৈতিক বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিধিনিষেধ মেনেই মুক্তি পেয়েছেন। এর দুই মাসের মাথায় তার দলের নেতা ও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করছেন। কথাবার্তা হচ্ছে। করোনাপরিস্থিতি সামাল দিয়ে কি করা যায় এমন চিন্তাভাবনা বিএনপি নেতাদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তারাও মনে করছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ফের একটা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসতে পারেন। আর সরকারি দলের নেতারা বিষয়টির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন।

বেগম জিয়ার জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে ইতিবাচক মনোভাব ছিল এবং এখন তা আরও কার্যকর দেখতে চান খালেদা জিয়া। কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট তার এ চাওয়া নিয়ে বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারেনি। বিএনপির নেতৃত্বাধীন আরও একটি জোট রয়েছে। তবে এজোটের অস্তিত্ব রাজনৈতিক ময়দানে অনুপস্থিত প্রায়। জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন নেই। দলটির কর্মকান্ড অনেকটাই সীমিত। আরেক শরিক বিজেপি জোট ছেড়েছে। ইসলামি ঐক্যজোটের মূল অংশটি জোটে নেই। এলডিপির সঙ্গেও জোটের সম্পর্ক ভালো নয়। বিএনপির অনেক নেতাই বলছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিএনপির কাছে প্রধান সরকারবিরোধী রাজনৈতিক জোট হোক বেগম জিয়া তা চান। জামায়াত এই জোটে না থাকায় বাম ও অপেক্ষাকৃত লিবারেল দলগুলোর যে এগিয়ে আসার ইঙ্গিত আগে ছিল তাও দানা বেঁধে উঠতে দেখা যাচ্ছে না।

করোনার কারণে সামাজিক বা শারীরিকভাবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বেগম জিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন দলের নেতাদের দেখা হলেও তাদের রাজনৈতিক চিন্তার ও ঐক্যের মধ্যে দূরত্ব দূর হয়ে গেছে কি না তা বলা কঠিন। কিন্তু তারা মিডিয়ার সামনে বলছেন দল অনেকটা চাঙা। এর নজির সাধারণ মানুষ কবে নাগাদ দেখতে পাবে তার আরেক সম্ভাবনা নির্ভর করছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপরেও।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য ও জেএসডি মিলে গড়ে তোলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনে ভরাডুবির পর এর কারণ খতিয়ে দেখে জোটের শরিকদলের মধ্যে একাট্টা হওয়া তো দূরের কথা বরং মনোমালিন্য দেখা দেয়। পারস্পরিক দোষারোপে তা আরো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিএনপির যেসব নেতা নিয়মিত জোটের বৈঠকে অংশ নিতেন তারও যাওয়া বন্ধ করেন।

মির্জা ফখরুলও জোটের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে অংশ নেয়া বাদ দেন। তারপরও শরিক দলগুলো যে যার মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এখন বেগম জিয়ার শর্তসাপেক্ষ মুক্তি কি সেই স্তিমিত জোটকে ফের চাঙ্গা করে তুলতে পারবে। এ রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর পেতে তারা হয়ত নিজেদের মধ্যে পরিস্থিত বোঝার চেষ্টা করছেন। পর্যবেক্ষণ করছে সরকারি দলও।

খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার পর তার সঙ্গে দেখা করার পর মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন উনি কেমন আছেন, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। রাজনৈতিক আলাপ হয়নি। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথাবার্তা নিয়মিত হয় এটা ঠিক। তবে কোনো রাজনীতি নেই। সবাই একটা ভাল পরিস্থিতির জন্যে অপেক্ষা করছেন।

  • সর্বশেষ