শিরোনাম
◈ ইরানে ইসরাইলের পালটা হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ◈ ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, সুনামির ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা ◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ◈ ইরানের বিরুদ্ধে পালটা অভিযানে না যেতে নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করবেন ট্রাম্প ◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২০, ০২:১১ রাত
আপডেট : ২৫ মে, ২০২০, ০২:১১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জাতিসংঘের আদালতে সর্বপ্রথম রোহিঙ্গা তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিলো মিয়ানমার

লিহান লিমা: [২] রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে গণহত্যা থেকে সুরক্ষায় রাষ্ট্র কর্তৃক কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এই মর্মে আন্তর্জাতিক আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে মিয়ানমার। এর আগে জানুয়ারিতে নেদারল্যান্ডের হেগের এই আদালত এই মর্মে একটি নির্দেশ জারি করে। আল জাজিরা

[৩] গত বছর মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্য অভিযুক্ত করে জাতিসংঘের এই উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে গাম্বিয়া। তবে মিয়ানমার সরকার শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

[৪] নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ইয়েন মিয়েন্তের নির্দেশে তিনটি দিক বিবেচনায় শনিবার এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট আঞ্চলিক সরকার ও সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যেনো গণহত্যার কোনো প্রমাণ ধ্বংস করা না হয়। সেই সঙ্গে তিনি গণহত্যা প্রতিরোধ ও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা না ছড়াতে বলেছেন। এই তিনটি দিক বিবেচনায়ই এই তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

[৫] তবে আদালত মিয়ানমারের এই তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করবে কি না এটি অস্পষ্ট।

[৬] ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে অভিযান চালায়। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ১৮ হাজার নারী ও শিশু সেনাবাহিনী ও পুলিশের ধর্ষণের শিকার হয়। ১ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বসতি জ্বালিয়ে দেয়া হয় এবং ১ লাখ ১৩ হাজার বসতি ভেঙ্গে দেয়া হয়। এর আগে বিভিন্ন সময় সেনাবাহিনীর অভিযানের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৩ লাখ রোহিঙ্গা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়