শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার জায়নবাদী শাসনের চোখ অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে: দাবি ইরানের ◈ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের মুদ্রার রেট: ৫ মার্চ ২০২৬ ◈ ইমাম খামেনেয়ীর নেতৃত্ব ইরানকে একটি শক্তিশালী মার্কিন বিরোধীতায় পরিণত করেছেন: রয়টার্স ◈ পবিত্র ঈদুল ফিতরে ছুটি আরও একদিন বাড়িয়েছে সরকার ◈ যুদ্ধ ছড়িয়েছে ১৫ দেশে, অস্থির পুরো বিশ্ব ◈ যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই খাদ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় তেহরানের বাসিন্দারা ◈ রাজনীতিতে বড় ইস্যু হয়ে উঠতে যাচ্ছে জুলাই সনদ ◈ পার‌লো না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ১০ জনের নিউক্যাসলের বিপক্ষে হেরেই গেলো ◈ পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচ হ‌চ্ছেন সরফরাজ আহ‌মেদ ◈ ইরানে ‘সিরিয়া কৌশল’ প্রয়োগ, গৃহযুদ্ধ বাধানোর ছক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২০, ০৬:২২ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০২০, ০৬:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জেলা পরিষদ সদস্যের ডাইরেক্ট এ্যাকশন!

জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী : [২] করোনার অযুহাতে যাত্রীদের জিম্মি করে প্রতিদিন আমতলী- পুরাঘাট খেয়া পাড়াপাড়ে ট্রলার মাঝিরা তাদের কাছ থেকে অস্বাভাবিকহারে ভাড়া আদায় করে। জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ আবুল বাশার নয়ন মৃধা এই সংবাদ পেয়ে সরাসরি ঘাটে উপস্থিত হয়ে বেশী ভাড়া আদায়ের সত্যতা পেয়ে ডাইরেক্ট এ্যাকশন শুরু করেন।

[৩] শনিবার বিকেলে জেলা পরিষদ সদস্য আবুল বাশার নয়ন মৃধা আমতলী ফেরীঘটে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বরগুনা জেলা শহর থেকে খেয়া পার হয়ে আমতলী আসা যাত্রীদের কাছে জানতে চান মাঝিরা জনপ্রতি কত টাকা খেয়া ভাড়া নিচ্ছেন। এসময় যাত্রীরা জানান, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি নির্ধারিত ১৫ টাকার স্থলে ৪০ টাকা নিছে। মাঝে মাঝে জনপ্রতি ৭০/৮০ টাকাও আদায় করে। এ সময় তিনি খেয়ার মাঝিকে জনপ্রতি ২০ টাকা রেখে বাকী টাকা ফেরৎ যাত্রীদের দিতে বলেন।মাঝি তার কথামত অতিরিক্ত নেয়া টাকা যাত্রীদের ফেরৎ দিয়ে দেন। এ সময় জেলা পরিষদের সদস্যকে উপস্থিত যাত্রীরা ধন্যবাদ জানান এবং তার এই ডাইরেক্ট এ্যাকশনে খুশি হয়েছেন এ ঘাট দিয়ে পারাপাররত যাত্রীরা।

[৪] যাত্রী সোহেল মিয়া বলেন, করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে এ খেয়াঘাটের মাঝিরা জনপ্রতি ১৫টাকার ভাড়ার স্থলে ৪০ আদায় করছে। মাঝেমাঝে যাত্রী কম থাকলে জনপ্রতি ৭০/৮০ টাকাও আদায় করে।

[৫] অপর যাত্রী ইদ্রিস মিয়া বলেন, জেলা পরিষদের সদস্যের ডাইরেক্ট এ্যাকশনে আমারা সাধারণ জনগন খুশি। জেলা পরিষদ সদস্য আবুল বাশার নয়ন মৃধা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই শুনতে পাচ্ছি এ খেয়াঘাটে অস্বাভাবিক হারে খেয়া পাড়াপাড়রত যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করছে। আজ সরাসরি তার সত্যতা পেয়েছি। যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা মাঝিকে ফেরৎ দিতে বাধ্য করেছি। এরপরেও যদি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত খেয়া ভাড়া আদায় করে তাহলে জেলা পরিষদের সভা ডেকে ইজারা বাতিল করার ব্যবস্থা করবো।উল্লেখ্য এ খেয়াঘাটটি জেলা পরিষদ মালিকানাধীন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়