প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রপ্তানিমুখী শিল্প মালিকেরা প্রণোদনার মাখন তো পাচ্ছেনই এখন কারখানা খুলে ব্রেড বানাবেন

আরিফ রহমান : চিকিৎসকদের মধ্যে সংক্রামণের হারে বাংলাদেশ সবার উপরে। একটা হাসপাতালও শতভাগ সুরক্ষা নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি করতে পারছে না। সেখানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করছে, ‘সব কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে’। হুদাই ‘স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা’ শব্দ চারটা লাগানোর কী দরকার?
২. লেখা পড়ে এক ঝাঁক লোক বলবেন, ‘কারখানা না খুললে শ্রমিকরা তো না খেয়ে মারা যাবে’। প্রণোদনা প্যাকেজ ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটি। বিআইডিএসের ২০১৫ সালের গবেষণা বলে তখন দেশের ৩.৫ কোটি মানুষ মধ্যবিত্ত ছিলো, ধরি সংখ্যাটা এখনো তাই আছে, একজনও বাড়েনি। ধরি বাংলাদেশে কোনো ধনী নেই (ধনীরাও গরিব) এবং বাংলাদেশের মধ্যবিত্তরা তিন মাসের খাবার যোগার করার পজিশনে আছে। তাহলে ১৮ কোটি থেকে ৩.৫ কোটি গেলে থাকে ১৫.৫ কোটি জনগণ। এখানে আছে কয়েক কোটি শিশুই। তাহলে জনপ্রতি ৪৭০০/- করে পাওয়ার কথা। চারজনের একটা পরিবার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে পাওয়ার কথা ১৮,৭৭৪/।
কিন্তু এই টাকা দেওয়া হয়েছে শিল্পের মালিকদের। এই মালিকেরা করোনার মধ্যেই প্রণোদনার টাকার মাখন তো পাচ্ছেনই, এখন আবার কারখানা খুলে ব্রেড বানাবে। অথচ তাদের উচিত ছিলো প্রণোদনার টাকা দিয়ে মাসের পরে মাস শ্রমিকদের বেতন দিয়ে যাওয়া।
৩. প্রতিটা টিভিতে প্রতিটা দালালের মুখে একই কথা, ‘আমেরিকা যেখানে পারেনি আমরা কীভাবে পারবো’? তারা এই কথা বলে না ভিয়েতনাম কীভাবে পারলো? কিউবা কীভাবে পারলো? কেরালা কীভাবে পারলো? আমরা না পারার কারণ যদি হয় আমেরিকার না পারা তাহলে আমরা কেন আমেরিকার কলোনি হয়ে যাচ্ছি না? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত