শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনা থেকে মুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা জানালেন নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ

মহসীন কবির : [২] করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়েছেন তিনি।  ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ নারায়ণগঞ্জের জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিবও। জাগোনিউজ ও বাংলানিউজ

[৩] ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর আমি প্রতিদিন নিয়মিত ৪/৫ বার গরম পানির গারগিল করতাম। গরম পানিতে ভিনেগার ও লবণ ব্যবহার করেছি। নিয়ম করে প্রতিদিন একাধিকবার গরম পানির ভাপও নিতাম। প্রতিদিন গোসল করেছি এবং নিজের জামা-কাপড় নিজেই ধুয়েছি।

[৪] আমার বিছানার চাদর ও বাথরুম আমি প্রতিদিন কিংবা কখনও একদিন পরই পরিষ্কার করেছি। আমি একাকি থেকেছি। একেবারেই সবার থেকে আলাদা থেকেছি। প্রতিদিন আমার টেবিলে খাবার রেখে চলে গেলে আমি খেয়ে সেটি নিজে পরিষ্কার করেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে আল্লাহকে স্মরণ করেছি তবে তেমন কোনো ওষুধই আমি সেবন করিনি। কারণ এ করোনার কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। যার কারণে ওষুধ সেবন করিনি।

[৫]  সুস্থ হওয়ার পর দুই বার নমুনা পরীক্ষা করেও তার করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এতে তিনি করোনা মুক্ত বলে নিশ্চিত হয়েছেন।

[৫]  তিনি  বলেন, বাড়িতে আইসোলেটে থেকে প্রতিদিন সকালে একবার এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে আধা চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে গারগিল করেছি। বিকেলে আরেকবার করেছি। একইভাবে সকালে একবার এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে গারগিল করেছি, রাতেও করেছি। দিনে-রাতে একাধিকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি। ভিনেগার একটি অ্যাসিড, এতে জীবাণুর মৃত্যু ঘটে। একইভাবে গরম পানিতে লবণও কার্যকরী। এভাবেই আমি সুস্থ হয়েছি। এর বাইরে আমি আর কিছুই করিনি। তবে এ সময়টাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার ও ফল খেয়েছি। শাকসবজিও প্রচুর পরিমাণে খেয়েছি। নিয়মিত লেবু, মালটা, আপেল, কমলা খেয়েছি।

[৫]  ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আরও বলেন, আমি শুরু থেকেই সুস্থ অনুভব করছিলাম। আমার জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি কিংবা অন্য কোনো উপসর্গ ছিল না। নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসক এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (যিনি করোনা প্রতিরোধ কমিটির প্রতিনিধি) আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের সংস্পর্শে থাকায় আমার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে আমার শরীরে। তখন আমি নিজে বাড়িতে আইসোলেশনে চলে আসি। তারপর সাতদিনের চিকিৎসাসেবা নিজেই নেই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়