প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]আরও তিন হাসপাতালে হবে কোভিড চিকিৎসা
[২] অভিজাত হাসপাতালগুলোর দাবি কোটি কোটি টাকা

মাহমুদুল আলম : [৩] রাজধানীর তিন বেসরকারি হাসপাতাল আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল, ইম্পালস হাসপাতাল ও ইউনিভার্সেল হাসপাতালকে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দেশে মহামারীর এই সময়ে নিরব আছে পাঁচ তারকা মানের অভিজাত হাসপাতালগুলো।

[৪] স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এসব হাসপাতাল যে খরচ দাবি করছে, তা বহন করা কষ্টকর। দেশের এই কঠিন সময়ে মুনাফার চিন্তা না করে তাদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানায় অধিদপ্তর।

[৫] এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে একাত্তর টিভি বলেছে, দেশে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে এপোলো হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, স্কয়ার হাসপাতাল ও ল্যাবএইড হাসপাতাল। এগুলোর মধ্যে ৪০০ বেড নিয়ে এগিয়ে আছে স্কয়ার হাসপাতাল। আর ১০০ আইসিইউ ও ভ্যান্টিলেশন সুবিধা আছে এপোলো হাসপাতালে।

[৬] এপোলো হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক ডা. আরিফ মাহমুদ একাত্তর টিভিকে বলেন, ‘এখন একটা ক্রান্তিকাল যাচ্ছে। সুতরাং মনে হয় কোন স্বাস্থ্যসেবী প্রতিষ্ঠানই পিছিয়ে থাকবে না। সবাই যার যার সীমিত সাধ্য নিয়ে মোকাবেলার চেষ্টা করবে।

[৭] করোনাচিকিৎসার জন্য দরকার ভ্যান্টিলেশন সুবিধা। সে কারণে বিশেষজ্ঞরা এগিয়ে রাখছেন এপোলো হাসপাতালকে। তারা বলছেন, শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, এমন আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও করোনা রোগীদের জন্য নিয়মিত করা দরকার।

[৮] মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রেদওয়ান চৌধুরী বলেন, সরকারি সেক্টর, বেসরকারি সেক্টর, দুইটাকে দুইভাগ করে ফেলতে হবে। ভাগ করে কতগুলোকে কোভিড আর কতগুলো ননকোভিড হাসপাতাল ঘোষণা দিতে হবে । সেক্ষেত্রে এপোলো বা স্কয়ারকেতো কোভিড হাসপাতাল হতে হবে। না হয় তো বেশি আইসিইউ পাচ্ছি না আমরা। আমাদের তো অনেক আইসিইউ দরকার। এটা সরকারের কাজ। সরকারকে নির্ধারিত করতে হবে। সরকার যখন নির্ধারণ করে দিবে তখন না হওয়ার কোন কারণ নেই।

[৯] বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে আইসোলেশনের জন্য ২০০০ বেড প্রস্তুত করা হচ্ছে। মহাখালীতে সিটি করপোরেশনের নতুন মার্কেটে ১৪০০ বেডের এবং উত্তরার দিয়াবাড়িতে ১২০০ বেডের আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত হচ্ছে। এর বাহিরে অন্যান্য হাসপাতালের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

[১০] অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আমিনুল হাসান বলেন, এপোলোর মতো বড় বড় হাসপাতালগুলোকে আমরা রিকুইজিশন করবো কিনা বা যদি পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দরকার হয়, হয়তো তখন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এটা আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে আছে। এসব হাসপাতালের একেকটির অপারেটিং কস্ট হিউজ। ৩-৪ কোটি টাকা তারা অপারেটিং কস্ট চাচ্ছে। এগুলো আলোচনা করে মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত দেবে সেট সেবাবে চলবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত