প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খদ্দের না পাওয়ায় ব্যাংককের রাস্তায় যৌনকর্মীরা

রাশিদ রিয়াজ : [২] সবদেশের মত থাইল্যান্ডে যারা কাজ হারিয়েছে তাদের অনেকেরই ঘরে বসে থাকার সামর্থ্য নেই। সরকারের সাহায্য তাদের জন্যে যারা বৈধ উপায়ে রোজগার করছে কিন্তু যারা রেজিস্ট্রিকৃত তালিকার বাইরে যৌনকর্মী হিসেবে রয়েছেন তাদের রাস্তায় নেমে আসা ছাড়া উপায় কি! এদের সংখ্যা অন্তত ৩ লাখ। স্পুটনিক

[৩] দিন কয়েক আগে পশ্চিমা কয়েকজন খদ্দের সহ কয়েকজন থাই যৌনকর্মীকে একটি সেক্সপার্টি থেকে গ্রেফতার করা হয়। স্টারইউকে

[৪] যৌন কর্মী ছাড়াও এর আগে যারা বার, ম্যাসেজ পার্লার ও অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রে কাজ করতেন তারাও এখন রাস্তায় ঘোরাঘুরি করছেন যদি কোনো কাজ মেলে। কার্ফিউ প্রত্যাহার করে নেয়া হয় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং এসময় তাদের হন্যে হয়ে খদ্দের খুঁজতে দেখা যায়।

[৫] ৩২ বছরের উভলিঙ্গ যৌনকর্মী পিম বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে ভয় পাই কিন্তু আমার ঘর ভাড়া ও খাবার কিনতে বাধ্য হয়ে বের হতে হচ্ছে। ব্যাংককের রাস্তায় নিওন লিট বার ও পতিতালয়ে অনেকেই আমার মত দুর্দশায় পড়েছে। গত ১০দিনে মাত্র একজন খদ্দের পাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এএফপি

[৬] পিমের বন্ধ এ্যালিস জানান সপ্তাহে ৩ থেকে ৬শ ডলার আয় হত। গো-গো বারে কাজ করি, মাঝে মধ্যে মনের মত খদ্দের পেলে তাদের বাড়িতেও যাই। কিন্তু বেঁচে থাকাই এখন দায় হয়ে উঠেছে। হোটেল ভাড়া না দিতে পারলে তারা আমাদের লাথি দিয়ে বের করে দেবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত