শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২০, ১১:২৫ দুপুর
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২০, ১১:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা আক্রান্ত তাবলিগ-ই-জামাতের সদস্যের থেকে সতর্ক থাকতে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার

ইয়াসিন আরাফাত : [২] মার্চের প্রথম থেকে মধ্যভাগ পর্যন্ত ভারতের রাজধানী দিল্লির নিজামুদ্দিনের মার্কাজ মসজিদে এক বিরাট ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করে তবলিগ-ই-জামাত সংগঠন যা বর্তমানে ভারতের করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই মসজিদের সমাবেশে যোগদানকারীদের মধ্যে কমপক্ষে ১২৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এনডিটিভি, এই সময়, কোলকাতা ২৪

[৩] জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ উপেক্ষা করেই ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিম ধর্মাবলম্বী অসংখ্য মানুষ ৮ মার্চ থেকে ১০০ বছরের ওই পুরনো মসজিদ কমপ্লেক্সে জড়ো হয়। ২১ মার্চ, সেখানে মোট ১,৭৪৬ জন মানুষ ছিলেন, যাদের মধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ২১৬ জন বিদেশিও ছিলেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের বিবরণও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

[৪] ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশটির সব রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং পুলিশ প্রধানদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, যদি এমন কোনও বিদেশির খোঁজ মিলে যিনি তবলিগ-ই-জামাতের সদস্য, তবে তৎক্ষণাৎ তাকে বা তাদের পুরোপুরি শারীরিক পরীক্ষা বা স্ক্রিন করে দেখতে হবে যে তাদের দেহে করোনার সংক্রামন হয়েছে কিনা। যদি প্রয়োজন হয় তবে তাকে বা তাদের আলাদা করে রাখা হবে বা হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। পাশাপাশি বিমানবন্দরগুলোর দিকেও কড়া নজর রাখতে হবে যাতে কোনও করোনা আক্রান্ত পালাতে না পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়