শিরোনাম
◈ আমিনবাজারের ময়লা থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, বস্তিবাসীর আবাসনে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে সম্মতি ◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২০, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২০, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনায় ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, নেই শৃঙ্খলা-সচেতনতা

এম. আমান উল্লাহ : [২] করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। বিদেশি উন্নয়নকর্মীদের অবাধ যাতায়াতের কারণে রোহিঙ্গাদের মাঝে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে সচেতন মহল। ব্যাপক ঘনত্বের কারণে এখানে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। উৎকণ্ঠা বাড়ছে স্থানীয়দের মাঝেও। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রোহিঙ্গাদের সচেতন করা হচ্ছে।
[৩] প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে চলাচল করছে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের আশ্রয় ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা। সামাজিক দূরত্ব ছাড়াই ত্রাণ সংগ্রহ করছেন তারা। আবার করোনাভাইরাসের ব্যাপারে কোনো ধারণাই নেই তাদের। সেই সঙ্গে রয়েছে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কর্মরত বিদেশিদের অবাধ যাতায়াত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের শঙ্কা, ব্যাপক জন ঘনত্বের এসব ক্যাম্পে সংক্রমণ হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।
বালখিালীর বাসিন্দা সাংবাদিক আমিনুল হক আমীন বলেন, রোহিঙ্গাদের মধ্যে কোনো নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। এদের মধ্যে করোনা বিষয়ে কোনো সচেতনতাও নেই।
[৪] উখিয়ার যুবনেতা মো: শাহাজাহান বলেন, সরকারের কাছে অনুরোধ, রোহিঙ্গাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করার।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা জানালেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাতে জনসমাগম না হয় এজন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের অতিরিক্ত জনসমাগম করতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যতীত অন্য কিছু বিতরণের ক্ষেত্রে ক্যাম্পগুলোকে নিষেধ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা এক রোহিঙ্গা পরিবারের ৪ সদস্যকে ইউএনএইচসিআরের ট্রানজিট ক্যাম্পে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

  • সর্বশেষ