শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ◈ শেখ হাসিনা আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী ◈ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, আহত ১ ◈ বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট ◈ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে ইসি প্রস্তুত : সিইসি ◈ পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজায় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চায় ভারত, রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক সরকার ◈ ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই তেলের দাম, বাড়তে পারে আরও ◈ বাঁধনের ওপর হামলার খবর ইতালীয় গণমাধ্যমগুলোতে, তদন্তে বিশেষ পুলিশ

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মার্চের শেষ এবং এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ করোনা জন্য খুবই সংকটজনক সময়

নূরুল হাসান খান : [২] আন্তর্জািতক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের উদ্বৃতি দিয়ে বলছে, মার্চ মাসের শেষ এবং এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্থানসহ উপমহাদেশের সবগুলো দেশেই এই সময়ের মধ্যে করোনার সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে।

[৩] পরিসংখ্যানেও দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার প্রায় ২২ শতাংশ। বাংলাদেশে অবশ্য সরকারি হিসেবে সংক্রমনের হার খুব একটা বাড়েনি। তবে অনেকেই মনে করছে, বাংলাদেশে রোগ নির্ণয় প্রক্রিয়াটি খুবই ধীর।করোনা নির্ণয় প্রক্রিয়াটি জোরদার হলে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এই হার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। যদিও এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভারত বা বাংলাদেশ স্টেজ থ্রি-তে পৌঁছয়নি। অর্থাৎ, কমিউনিটি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনও ছড়িয়ে পড়েনি সংক্রমণ। কিন্তু অনেকেরই ধারণা, গত দুই দিন ধরে ভারতে যে ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে, তাতে মনে হচ্ছে সংক্রমণ সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে বা তার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। লকডাউন সত্ত্বেও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তারা চিন্তিত।

[৪] এক সপ্তাহ আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্লোগান ছিল 'টেস্ট টেস্ট টেস্ট'। অভিযোগ ভারতে সে ভাবে টেস্ট হচ্ছেই না। শুক্রবারই ডয়চে ভেলেকে বিশিষ্ট চিকিৎসক সাত্যকি হালদার জানিয়েছিলেন, ''দেশে করোনা পরীক্ষার যথেষ্ট পরিকাঠামোই গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। বিদেশ ফেরত বা বিদেশ ফেরতের সঙ্গে সম্পর্কযুক্তদেরই কেবল পরীক্ষা হচ্ছে অধিকাংশ জায়গায়। ফলে আসলে ভাইরাসটি কতটা ছড়িয়েছে, সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়েছে কি না, এই তথ্য পাওয়াই যাচ্ছে না।'' সূত্র : ডি ডব্লিউ/ (পিটিআই, রয়টার্স)

  • সর্বশেষ