শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৮:২২ সকাল
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৮:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]রাজশাহীতে মেডিকেলে সর্দি,কাশি ওপ্রচন্ড জ্বর নিয়ে এক যুবকের মৃত্যু

মুসবা তিন্নি : [২] নওগাঁর রাণীনগরে ঢাকা থেকে আসা আল আমিন (২২) নামের এক যুবক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি গ্রামবাসী। অসুস্থ আল আমিন তিনটি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এছাড়াও আল আমিনের মৃতদেহ গ্রামে নিয়ে গেলেও কোনও লোকজন তার মৃতদেহের কাছে যায়নি।

[৩]আল আমিন রাণীনগরের কালীগ্রাম ইউনিয়নের অলংকার দীঘি গ্রামের মকলেছুর রহমানের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতো।

[৪]মকলেছুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে জ্বর আর সর্দি-কাশি নিয়ে ঢাকা থেকে নওগাঁতে আসে আল আমিন। শনিবার সকালে বাড়িতে যাওয়ার সময় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে সন্দেহে স্থানীয় মেম্বারসহ গ্রামের লোকজন তাকে বাড়িতে যেতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে টেম্পু স্ট্যান্ড থেকে চিকিৎসার জন্য আদমদীঘি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

[৫]মকলেছুর বলেন, আদমদীঘি হাসপাতালে তার চিকিৎসা না করেই ফিরিয়ে দেন চিকিৎসকরা। এরপর আবারও ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এরই মধ্যে স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে পরে তার সহযোগিতায় চিকিৎসার জন্য প্রথমে রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দেখেই হাতে কাগজ ধরিয়ে দিয়ে নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠায়।

[৬]এর পর নওগাঁ হাসপাতালে পৌঁছার পর সেখানেও ভালোভাবে না দেখে রাজশাহী নিয়ে যেতে বলে হাতে আরেকটি কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু ছেলের জ্বর কোনোভাবেই কমছিল না। পরে রাত ৮টার দিকে সে মারা যায়।

[৭]নওগাঁ সিভিল সার্জন ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আল আমিনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ ছিল। যেহেতু নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কোনও ব্যবস্থা নেই সেহেতু আমরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

[৮]রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আল আমিন ভর্তি হন। রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বেশি দিন জ্বর থাকায় ব্রেন ইনফেকশনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়