সিরাজুল ইসলাম: [২] অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরের এ ওষুধ খেয়ে তার স্ত্রীও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিএনএন
[৩] মাছের পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য তারা এ রাসায়নিক ব্যবহার করতেন। খাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি।
[৪] হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারী জানান, সম্প্রতি তিনি টেলিভিশনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে করোনার চিকিৎসায় ক্লোরোকুইনের সম্ভাব্য কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করতে শুনেছিলেন। আর এরপরই তারা ক্লোরোকুইন ফসফেট খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
[৫] ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) ম্যালেরিয়া, লুপাস ও রিউমাটয়েড বাতের জন্য ক্লোরোকুইন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলো। নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত হয়নি। এ কারণে এর চিকিৎসায় এ ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি তারা।
[৬] ওই নারী বলেন, তাদের পোষা কই মাছের চিকিৎসায় তারা আগে ক্লোরোকুইন ব্যবহার করেছিলেন। প্যাকেটে কিছুটা ওষুধ ছিলো। সেটা পানিতে গুলিয়ে খাওয়ার পর তিনি বমি করতে শুরু করেন। তার স্বামীর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা শুরু হয়ে যায়। তার স্বামীকে বাঁচানো যায়নি। আর তিনি এখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন।
[৭] পানির ট্যাংকে মাছের জন্য যে ক্লোরোকুইন ব্যবহার করা হয় তা রাসায়নিক উপাদানের দিক দিয়ে ম্যালেরিয়ার জন্য ব্যবহৃত ক্লোরোকুইনের থেকে কিছুটা আলাদা।