শিরোনাম
◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন রেকর্ড ◈ অধ্যাদেশ জারি: অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি এক কোটি টাকা ◈ এ মাসের মধ্যেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ উপদেষ্টা ◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২০, ০২:২৭ রাত
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০২০, ০২:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বৈষম্যমূলক আচরণের কারণেই বন্ধ হচ্ছে না পোশাক কারখানাগুলো, বললেন মোশরেফা মিশু

শরীফ শাওন : [২] শ্রমিক ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু বলেন, করোনা আতঙ্কে ইতোমধ্যে বন্ধ হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বাজার ও অনেক অফিসপাড়া। তবে কল-কারখানা বন্ধ না করে, সরকার ও মালিকপক্ষ একে অপরের অযুহাত দিচ্ছেন। কারখানাগুলোতে করোনা শনাক্ত হয়নি আখ্যা দিয়ে বন্ধ করতে অসম্মতি জানাচ্ছেন তারা।

[৩] আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে অবহেলা করলে তা মহামারি আকারে রূপ নিতে পারে। গার্মেন্টগুলোতে স্বল্প জায়গায় অনেক কর্মী একসাথে কাজ করেন। কিছু কারখানাতে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকলেও নেই অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেফটি ইকুইপমেন্ট। জনসমাগমে কাজ করায়, একজন আক্রান্ত হলে তা দ্রুত সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

[৪] তিনি বলেন, ইউরোপের বাজারে আমাদের পণ্যগুলো ব্রান্ড আকারে যাচ্ছে। আমাদের উৎপাদন বাড়িয়ে লাভ নেই, যখন সেখানেই মহামারিতে কার্যক্রম বন্ধ। শুধু পোশাক খাতে জড়িত ২ কোটি এবং শ্রমিক ৪৫ লাখ মানুষ। তাদেরকে এবং শিল্প রক্ষায় কারখানাগুলো ২ সপ্তাহ বন্ধ রাখা জরুরি।

[৫] বায়িং হাউজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি কাজি ইফতেখার হোসেন বলেন, বৈশ্বিক করোনার প্রভাবে পোশাক খাতে নতুন অর্ডার আসছে না। বরং পুরনো অর্ডার বাতিল হচ্ছে।

[৬] বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে বাজার হারানোর কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, যেখানে বাজারই নেই, হারানোর প্রশ্ন কেন? তাদের চাহিদা থাকা সত্বেও যদি আমরা দিতে না পারতাম তবে এ কথা বলা যেত।

[৭] ইফতেখার হোসেন বলেন, বিদেশি বায়ারদের অনেকেই বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসা পর্যন্ত কাজ যে পরিস্থিতিতে আছে সেভাবেই রেখে দেয়ার জন্য। তবে কিছু বায়ারের চাহিদা অনুযায়ী, পুর্বের মালের উৎপাদন শেষ করা পর্যন্ত করাখানা খোলা রাখতে পারেন।

[৮] বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বন্ধের বিষয়টি সম্পূর্ণ সকরারের ওপর। সকল ফেক্টরি নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়