শিরোনাম
◈ চীনে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার বাড়াতে ৬ প্রস্তাব বিসিসিসিআইর ◈ বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: চতুর্থ দিনে ৯ হাজার গ্রাহককে ৩৯১ কোটি টাকা পরিশোধ ◈ নবম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের ফাঁদে পড়ে, অতঃপর... ◈ ভারতের কা‌ছে হেরে নারী এশিয়া কা‌পের ফাইনা‌লে খেলার স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ◈ দীর্ঘসময় শুক্রবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ দায়িত্ব বাড়ল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর ◈ ভারতে পাচারের শিকার ৪৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন ◈ শিশুর পেটে ইয়াবা, আড়ালে পাচারচক্র: মাদক কারবারিদের নতুন বাহন শিশুরা! ◈ আন্তদেশীয় ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়নি, ভারতের প্রস্তাব এলে পরীক্ষা করবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২০, ০৯:৪৬ সকাল
আপডেট : ১৮ মার্চ, ২০২০, ০৯:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনাভাইরাস নির্ণয়ে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৩০০ টাকায় ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত সম্ভব

আসিফ কাজল: [২] নতুন এ পদ্ধতির নাম র‌্যপিড ডট ব্লট। এর মাধ্যমে মাত্র ৫ থেকে ১৫ মিনিটে কোনো ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস আছে কিনা তা জানা যাবে। এতে খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। সরকার যদি এর ওপর ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে আমরা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বাজারজাত করতে পারব। পদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেছেন গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান বিজ্ঞানী ডা. বিজন কুমার শীল। উনি ২০০৩ সালে সিঙ্গাপুরে সার্চ সনাক্তের পদ্ধতি আবিস্কার করেন, এর পেটেন্ট পরবর্তীতে চীন কিনে নেয়। গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বুধবার প্রতিবেদককে এ তথ্য জানান।

[৩] তিনি বলেন, বর্তমানে প্রচলিত করোনা কিটের মাধ্যমে যে পদ্ধতিতে করোনা ভাইরাস সনাক্ত করা হয় তার মূল্য এক হাজার ডলার। সারাদেশে এখন মাত্র ২৬৮টি করোনাভাইরাস সনাক্তের কিট অবশিষ্ট রয়েছে। অথচ সারাদেশের মানুষ ভীত সন্তস্ত্র। সরকার যদি এ ভাইরাস সনাক্ত করতেই না পারে তাহলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা হবে কি করে বলে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

[৪] তিনি অভিযোগ করে বলেন ওষুধ প্রশাসনের অজ্ঞতা, অদক্ষতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও জরুরি অবস্থা না বোঝার জন্য এ পদ্ধতি জনগণের জন্য সরবরাহ করতে পারছেন না।

[৫] এ উদ্ভাবনে ব্যয় হয়েছে দুই কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, এখন সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের মর্জির ওপর। সরকার অনুমতি দিলে এক মাসে এক লাখ মানুষের কোভিড-১৯ সনাক্ত করা যেতে পারে এ পদ্ধতির মাধ্যমে। ডেঙ্গু টেস্টের যেমন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল করোনা টেস্টেরও যদি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে জনগণ স্বল্প মূল্যে সেবা পাবে।

[৬] সরকার দ্রুত এ বিষয়ে আগ্রহ দেখাবে বলেও তিনি আশাপ্রকাশ করেন। এবং বাইরের তিন দেশ পেটেন্ট কিনতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।

[৭] ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ ছাড়া এ ধরণের অনুমোদন দেয়া সম্ভব নয়।

  • সর্বশেষ