প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের ‘রাজুকে’ ঘিরে রাজধানীর ‘ইয়াবা সাম্রাজ্য’

বিপ্লব বিশ্বাস : একের পর এক অভিযানেও ভেঙ্গে যায়নি মাদক কারবারিদের আস্তানা। মূলত মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পেকে ঘিরেই রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গড়ে উঠেছে এ ‘ইয়াবা ব্যবসা’।

[৩] সূত্র জানায়, বর্তমানে জেনেভা ক্যাম্পের পাকিস্তানি রাজুকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে এ ‘ইয়াবা সাম্রাজ্য’। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রীতিমতো ডিলার নিয়োগ দিয়ে দিনের পর দিন বিক্রি করে আসছে সর্বনাশা নেশার মাদক ইয়াবা।

[৪] তার সিন্ডিকেটের কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায় রাজু। একজন নারী এবং ছয়জন পুরুষসহ সাত সদস্যের এই পরিবারটি মোহাম্মদপুরের জেনেভা পাকা ক্যাম্পের রিয়াজের সাউন্ড দোকানের গলির একটি ঘরে বাস করছে। আর ক্যাম্পের বি ব্লকে পাঁচটি ঘর ভাড়া নিয়েছে রাজু। তবে রাজু কোথায় থাকে তা কারও জানা নেই।

[৫] সরেজমিনে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, জেনেভা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের বাসিন্দা নূর ইসলাম ওরফে চারকু নূর ইসলাম চারকু ও তার ছেলে ‘এস’ বাহিনীর সদস্য ইমরান ইয়াবার কারবারে রাজুর পরিবারকে সবরকম সহযোগিতা করেছে।

[৬] জেনেভা ক্যাম্পের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজুর আরও চার ভাই রাসেদ, কাসেম, আতিক ও হামজা এবং রাজুর স্ত্রী রিমা, রাসেদের স্ত্রী ঝিনু ও কাসেমের স্ত্রী চাঁদনিও ইয়াবা কারবারে জড়িত। তবে সবচেয়ে সক্রিয় রাজু ও তার মা রেহানা। ইয়াবা ব্যবসা করেই রাজু বর্তমানে চকবাজারে নিজের নামে একটি ফ্লাট কিনেছেন। ইয়াবা কারবারের হিসাব রাখতে হাসান নামে একজন ম্যানেজারও নিয়োগ দিয়েছে রাজু। হাসান জুয়েলারির বাক্স তৈরির কাজের আড়ালে ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসানের এই দোকানে বসেই ইয়াবার বড় বড় কারবার এবং ইয়াবা বিক্রির হিসাব নেন রাজুর বাবা ‘মান্ডা’ ওরফে ‘পাকিস্তানি মান্ডা’ ও রাজুর মা রেহানা। ক্যাম্পের পাশেই তাজমহল রোডে রাজুরই আরেক সহযোগী হাসান।

[৭] যে কিনা ইলেকট্রিক কাজের পাশে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া রানী ওরফে (গামছা কোরবানের বউ), আসীফ, আলমগীর তার বোন জামাই সোহেল, বড় ভাই ভলু ও মোহনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একাধিক সিন্ডিকেট। অভিযোগ আছে, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কতিপয় সদস্যকে মোটো অংকের মাসোহারা দিয়ে তারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

[৮] র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী জানান,‘২০১৮ ও ২০১৯ সালে জেনেভা ক্যাম্পে সাঁড়াশি অভিযানের পর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ্যাকশন প্ল্যানে আমরা অগ্রসর হব।

সর্বাধিক পঠিত