প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পদ্মা নদীতে আটকে আছে অর্ধশতাধিক পণ্যবাহী কার্গো

কামাল হোসেন, গোয়ালন্দ প্রতিনিধি: [২]  নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে আটকে আছে অর্ধশতাধিক কার্গো জাহাজ। টিএসপি সার, পাথর, গম, কয়লা বোঝাই কার্গো জাহাজ গুলো চট্রগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া হয়ে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ও পাবনার নগরবাড়ী পথে যাওয়ার উদ্দ্যেশে এসেছে।

[৩] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ৬নং ফেরি ঘাট থেকে প্রায় ১কি.মি. ভাটিতে নাব্যতার সংকটে পদ্মায় নোঙর করে রয়েছে অর্ধশতাধিক পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ। পণ্যবাহী কার্গো জাহাজগুলো এই নৌপথে চলাচল করতে ১২/১৩ফিট ড্রাপ পানি প্রয়োজন। তবে এই নৌপথে পাবনার মোল্লারচর, লতিফপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বিভিন্ন স্থানে ডুবোচর ও নাব্যতা দেখা দেয়ায় জাহাজগুলো স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে না।

[৪] আটকে পরা কার্গো এমভি মাস্টার জিহাদ এর চালক বোরহান উদ্দিন বলেন, বর্ষা মৌসুমে জাহাজ নিয়ে চলাচলে কোন প্রকার সমস্যা হয়নি। এবার শুকনো মৌসুমের শুরুতেই পাবনার মোল্লারচর ও লতিফপুর এলাকায় নদীতে ডুবোচর দেখা দিয়েছে। যে কারণে ১২/১৩ফিট নিচু ড্রাপ কার্গো চলাচল করতে পারছে না। নাব্যতা সংকট এবং ডুবোচরের কারণে মাঝ নদীতে জাহাজ নোঙর করে আছি। এখানকার শ্রমিকদের সহযোগিতায় কার্গো থেকে কিছু পণ্য অন্য বলগেটে খালাস করা হচ্ছে।

[৫] শ্রমিক সর্দার আয়ুব মন্ডল বলেন, পদ্মানদীতে নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে সার ও কিংকার বোঝাই কার্গো জাহাজ গুলো ঘাটে এসে নোঙর করে আছে। আমরা জাহাজ থেকে কিছু পণ্য খালাস করে ছোট ছোট বলগেটে নেওয়ার ব্যবস্থা করি। বিনিময়ে আমরা কিছু টাকা পাই।

[৬] আরিচা পোর্ট অফিসার মো. সেলিম রেজা জানান, নদীতে ডুবোচর থাকায় কার্গো জাহাজগুলো আটকে আছে। তবে এই নৌপথে চলাচলের জন্যে নির্ধারিত ড্রাপ রয়েছে। এর চেয়ে অতিরিক্ত ড্রাপ লোড করে কোন জাহাজ আসলে তাকে কিছু মাল আনলোড করে ড্রাপ কমিয়ে যেতে হয়। এই নৌপথে কত ড্রাপ আছে জানতে চাইলে পোর্ট অফিসার সেলিম রেজা বলেন, সেটা আমার এখন জানা নেই এবার কত ড্রাপ নির্ধারন করা হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত