শিরোনাম
◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও) ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান ◈ অবশেষে হাইকোর্টে জামিন পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন ◈ তথ্য গোপনে ছাড় নেই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:০৭ সকাল
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা সিটি নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে না গিয়ে শোডাউনের কারণে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি কম হয়েছে, বললেন সিইসি

মহসীন কবির ও সাইদ রিপন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ৪৯ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার যোগদান উপলক্ষে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত ১২ দিনব্যাপী এক কর্মশালায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

কে এম নূরুল হুদা বলেন, আমাদের দেশে অনেক সময় বলা হয়, আমেরিকা এমন করে, সুইজারল্যান্ড, জার্মানিতে এইরকম হয়। আমাদের এখানে হয় না কেন? সেদিন একটা পলিটিক্যাল পার্টি এসেছিল, আমি অত্যন্ত নিচুগলায় বললাম কানেকানে, আগে সুইজারল্যান্ড হতে হবে, তারপরে। ইউ মাস্ট থিঙ্ক গ্লোবালি, বাট অ্যাক্ট লোকালি। সেটা সে কী অবস্থায়, তার ওপর নির্ভর করে।’

তিনি বলেন, ঢাকা সিটি নির্বাচনেই বিরাট বিরাট মিছিল, পোস্টারে সয়লাভ হয়ে গেছিল। আমি ভেবেছিলাম ৮০ শতাংশ ভোট হবে কিন্তু ‍উল্টো হলো।এটা আমার ধারণা যে, প্রার্থীরা ভোটারের কাছে না গিয়ে রাস্তায় গিয়েছে। আসল যে সম্পত্তি যেখানে, ভোট দেবেন যারা, তাদের কাছে যায়নি, ভোট কম পড়ার এটা একটা কারণ''।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে তো মলম পার্টি নিয়ে কাজ করতে হয়। ব্যাগ টানা পার্টি নিয়ে কাজ করতে হয়। আমাদের দেশে ক্যাসিনো মেম্বার নিয়ে কাজ করতে হয়। আমাদের পকেটমার নিয়ে কাজ করতে হয়।

সিইসি বলেন, দেখা গেল যে একবার এই যে গুলিস্তানে, মহল্লায়, যারা এই যে হকারদের কাছ থেকে টাকা নেয়। কিছুদিন পর হয়তো দেখা গেলো, নেতা, পাতি নেতা, উপ-নেতা তারপর পূর্ণ নেতা। তারপর কমিশনার। এগুলোওতো আমাদের দেখতে হয়। হু নোজ যে একদিন এমপি হবেন না তিনি। সুতরাং সেই ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে আমাদের কাজ করতে হয়।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো: রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরি (অব:), নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. আলমগীর এতে উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়