শিরোনাম
◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল! ◈ রশি ছিঁড়ে সাগরে পড়ে আহত চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, তদন্তে জাহাজের গাফিলতির অভিযোগ; বিদেশি জাহাজ আটক ◈ বাংলাদেশি হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস অমিত শাহের ◈ ফিফার শা‌স্তির পর আর্জেন্টিনাকে নি‌য়ে স্পেনের গণমাধ্যমে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার ◈ জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পেট্রাপোলে ◈ মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন, হলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ◈ সিলেটে তেলবাহী ট্যাংক লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:২৯ সকাল
আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজকে যারা ভ্যালেন্টাইন দিবস পালন করে তারা মূলত ইতিহাসমূর্খ নষ্ট নাগরিক

মুনশি জাকির হোনে : ইতিহাস চর্চা কেন অপরিহার্য সেটির জবাব Winston Churchill এর উক্তিতেই বিদ্যমান ‘The further backward you look, the further forward you can see.

৫০ এবং ৬০ দশকে একদল ধ্রুপদী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং তাদের উপর বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ কিংবদন্তির নেতৃত্বের গুণে গাঙ্গেয় বদ্বীপের ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয় ১৯৭১ সালে। তবে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব যেন আলেয়াতে পরিণত হয় সেই সব ধ্রুপদী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ধ্বংসের মাধ্যমে। শিক্ষাকে যেকোনো জাতির মেরুদ- হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এই গাঙ্গেয় বদ্বীপের মানুষের জীবনে একটি সার্বজনীন শিক্ষানীতি তো দূরের কথা, উল্টো শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করা হয়েছে প্রাক-পরিকল্পনাতে। ১৯৮২ সালে মজিদ খানের প্রস্তাবিত একটি দূষিত/ভেজাল শিক্ষানীতি বাতিলের দাবিতে গড়ে উঠা ছাত্র আন্দোলন, ১৯৮৩ সালে এসে নতুন মাত্রা ধারণ করে, ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের দিকে এগিয়ে যায়। তাদের দাবি ছিলো প্রস্তাবিত ভেজাল শিক্ষানীতি বাতিল করে একটি সার্বজনীন শিক্ষানীতি ঘোষণা করার। সেদিন সেই মিছিলে নির্বিচারে পুলিশ গুলি চালায়। সেখানে ১০ জনের লাশের পরিচয় মেলে। বাকিদের লাশ গুম করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

আজকে বাংলাদেশের যতো সমস্যা তার মূলে রয়েছে জাতির মেরুদ- ভাঙার জন্য একটি বিকৃত শিক্ষা পদ্ধতি। আর এর মূলে রয়েছে একটি সার্বজনীন শিক্ষানীতি না থাকা। যার ফলে দিনকে দিন ভেজাল নাগরিকের সংখ্যা বাড়ছে জ্যামিতিক এবং গাণিতিক দুই ভাবেই। যারা সেদিন জীবন দিলো তাদের জীবনের মূল্য আমরা কী পরিমাপ করতে ব্যর্থ হয়নি। আমরা তাদের মনে রাখেনি, আমরা একটি সার্বজনীন শিক্ষানীতির দাবিতে কথা বলিনি, আমরা মনে করে চলেছি সব কিছুই আমাদের নাগালে চলে আসবে সূরা বাকারাতে উল্লেখিত মান্না সালওয়ার মতো করে। আজকে যারা ভ্যালেন্টাইন দিবস পালন করে তারা মূলত ইতিহাস মূর্খ নষ্ট নাগরিক। তাদের সারপ্লাস/উদ্বৃত্ত নাগরিকও বলা যেতে পারে। এই লুম্পেনদের সংখ্যা যতো বৃদ্ধি পাবে দেশটা ততো দ্রতই রসাতলে চলে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়