শিরোনাম
◈ বিজয় হলে মিছিল নয় সিজদায় পড়ব : জামায়াত আমির ◈ নির্বাচনের দিন নেতাদের যত অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ◈ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাইকারি বাজারে স্বস্তি থাকলেও খুচরা বাজারে অস্বস্তি

লাইজুল ইসলাম : রাজধানীর পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজার। এছাড়া খুচরা বাজার পলাশী, নিউমার্কেট ও মগবাজার কাঁচা বাজার। গতকাল এই চারটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের তুলনায় অন্তত ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি শীতের মৌসুমে সবজির ফলন ভালো হলেও দাম কমছে না সবজির এমনটাই দাবি কাঁচা সবজির ব্যবসায়ীদের।

পাইকারী বাজারে প্রতি পিস ছোট, মাঝারী ও বড় লউ বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ৪০, ৫০ ও ৭০ টাকায়। খুচরা বাজারে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে শুরু হয়ে শেষ হচ্ছে ১২০ টাকায়। কুমড়াও একই অবস্থা বিরাজ করছে।

কারওয়ান বাজারের পাইকারী বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে, সিম ২০-২৫, টমেটু ৩০-৪০, মরিচ ৪০-৫০, আলু ২০, মূলা ১০-১৫, গাজর ২৫-৩০, বেগুন ২৫-৩০ টাকা করে। প্রতি পিস বাঁধা কপি ২০-২৫, ফুল কপি ১৫-২৫, কাঁচকলা ২ টাকা করে। শাক বিক্রি হচ্ছে প্রতি মুটা, পালং-লাল, কচু ৫টাকা করে। কলোই শাক ৪০-৫০টাকা। এছাড়া, ধনিয়া পাতা ৫ ও পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা করে। এসব পন্য রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অন্তত ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে দেশি ১১০, বার্ম ১০০, পাকিস্তানি ৯০, চায়না ৬০ টাকা করে। খুচরায় ১০-২০ থেকে টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। মাছের দামও কারওয়ান বাজারের পাইকারী বাজারে কিছুটা কমেছে। তবে খুচরায় এগুলোই ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে স্থায়ী করার চিন্তা করছে ব্যবসায়ীরা।

চায়না আদা গত সপ্তাহে ছিলো ১৪০ এসপ্তাহে ১২০। রুন ছিলো ১৯০ এ সপ্তাহে ১৮০। তবে এসব পন্যের দাম কবে কমবে তা কেউ কিছুই বলতে পারেনি।

চাল, তেল, ডাল, বিভিন্ন ধরনের মসলার বাজার গত সপ্তাহেরমতই আছে। তবে গেলো কিছুদিনে এসকল পন্যের দামই বেড়েছিলো।
ডিম, মুরগি, খাসি ও গরুর মাংসের দাম রয়েছে আগের মত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়