শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:০২ সকাল
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪৭ সালে দেশভাগের সময় দেশত্যাগীদের সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি বিবেচনায় নিলামে তুলছে ভারত সরকার

সাইফুর রহমান : ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে যেসব শত্রু সম্পত্তিতে মামলার জটিলতা নেই, প্রথম দফায় সেগুলোর তালিকা তৈরি করে নিলামে তোলা হচ্ছে। এই পাইলট প্রোজেক্ট সফল হলে অন্যান্য রাজ্যে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে। বিবিসি
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর কিংবা ৬৫ ও ৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন, তাদের ফেলে যাওয়া জমিজমা-ঘরবাড়ি ভারত সরকার শত্রু সম্পত্তি হিসেবে অধিগ্রহণ করে ভারত সরকার। ভারত-পাকিস্তান বা চীন-ভারত যুদ্ধের সময় দেশত্যাগীদের ফেলে যাওয়া এসব সম্পত্তি বিক্রি করে তারা অন্তত এক লক্ষ কোটি রুপি কোষাগারে জমা করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

২০১৭ সালে পার্লামেন্টে আইন সংশোধন করে কথিত এই শত্রু সম্পত্তির ওপর উত্তরাধীকারীদের দাবির অধিকারও অনেকটাই কেড়ে নেয়া হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, উত্তরপ্রদেশেই এধরণের সম্পত্তির পরিমান সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৫ হাজারের মতো। এর পরেই ২৭৩৫টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ দর্শনা মিত্র জানান, সামান্য কয়েকজন চীনা বংশোদ্ভূতকে বাদ দিলে এই তথাকথিত শত্রুরা প্রায় সবাই যেহেতু মুসলিম, তাই ভারতের অনেক মুসলিম সংগঠনই মনে করে সংশোধিত শত্রু সম্পত্তি আইন আসলে একটি মুসলিম-বিদ্বেষী পদক্ষেপ।
এদিকে মুসলিম সংগঠণ জামাত-ই-ইসলামি হিন্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: সালিম ইঞ্জিনিয়ারের মতে, ‘যুদ্ধের সময় যারা দেশ ছেড়ে গিয়েছিলেন তারা অনেকেই নিজেদের জমি-বাড়িতে আত্মীয়স্বজনদের বসিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে সেই সম্পত্তির দখলও নিয়েছিলেন।’ কিন্তু আইন পাল্টে সরকার আসলে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে নিশানা করে তাদের বৈধ সম্পত্তি কেড়ে নিতে চাইছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়