শিরোনাম
◈ ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের প্রধানমন্ত্রী: বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত ◈ বিদেশিদের দুঃসংবাদ দিল জাপান ◈ ' জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জিডিপির ১-২% হারাচ্ছে বাংলাদেশ' ◈ আগামী সপ্তাহে নতুন টার্মিনাল চালু হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরে, অক্টোবরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ◈ মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার ◈ রংপুরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত ৩ জনের শরীরে, অসুস্থ গরুর মাংস খেয়ে আক্রান্ত ১১ ◈ ইরান ইস্যুতে শি জিনপিংকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা ◈ শ্রমশক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে তারেক রহমানের আলোচনা ◈ ইরানের ড্রোন ঠেকাতে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেজার অস্ত্র’ : নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন ◈ জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের আসল কাজ কী? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে আর্টিলারি গোলার আঘাতে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত, প্রতিদিন সীমান্তের গ্রামগুলোতে হচ্ছে শেলিং

আসিফুজ্জামান পৃথিল: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কোয়াকতাও টাউনশিপে নএই ঘটনায় আরও ৪জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, আরাকান আর্মির সঙ্গে এই অঞ্চলে বড় ধরণের সংঘর্ষে লিপ্ত আছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ইরাবতি

স্থানীয় সুত্রের খবর, থংবে গ্রামে সোমবার ভোর ৪টার দিকে শেলবর্ষণ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গোলন্দাজ ইউনিট। নিহত কিশোরের আত্মীয় কালু ইরাবতী নিউজকে বলেন, ‘ছেলেটি মাথায় আঘাত পেয়েছিলো। তাকে সিতওয়ের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সে মারা যায়। পরে তার লাশ গ্রামে ফেরত আনা হয়।’

আহত বাকিদের কাওয়াকতাও এর একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। থংবো গ্রামের কয়েকজর জানান, গোলন্দাজ ইউনিট নয়, হামলা চালানো হয়েছে স্থানীয় কালাদান নদির উজানে থাকা নৌবাহিনীর একটি জাহাজ থেকে। এই ছেলেটির মৃত্যু ছাড়াও ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণ বিদ্ধস্ত হয়ে যায় এবং একটি গরু মারা যায়।

কালু আরও বলে, ‘আমার গোয়ালের ছাদে একটি মেল এসে পড়ে। আমরা সেসময় ঘুমাচ্ছিলাম। আমি নিশ্চিত নই কি হয়েছিলো। তবে এটুকু বলতে পারি নদীতে থাকা জাহাজ থেকেই এই হামলা হয়েছে।’

রোহিঙ্গারা ছাড়াও স্থানীয় রাখাইনরা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে হুট করে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে মিয়ানমার। আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে হিন্দ গানশিপকেও। নৌপথে টহল দিচ্ছে নৌবাহিনীর পেট্রোল ভেসেলগুলো। সীমান্তরেখা বরাবর বাড়ানো হয়েছে গোলন্দাজ উপস্থিতিও।

বিষয়টি নিয়ে জানতে ইরাবতি যোগাযোগ করেছিলো সেনা মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন এবং তাতমাদাও পশ্চিম কমাণ্ডের মুখপাত্র কর্নেল উইন জাও ওর সঙ্গে। তারা কেউ মন্তব্যে রাজি হননি। তবে ইরাবতির সিতওয়ে ব্যুরো প্রধান জানিয়েছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, তারা যুদ্ধপ্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ