শিরোনাম
◈ জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক থেকে আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক ◈ গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ নয়: তথ্য উপদেষ্টা ◈ এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেতানিয়াহুর ভুয়া ছবি ছড়ালেন ভারতের ময়ূখ ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যে সুখবর! ◈ পুলিশে যুক্ত হচ্ছে নতুন ইউনিট, শাখা থাকবে যেসব এলাকায় ◈ বাংলাদেশে গুজরাটের ইলিশ, স্বাদে হতাশা; নিষেধাজ্ঞার পরও অবৈধ পথে প্রবেশের অভিযোগ ◈ মিরপুরে রাড্ডা সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর: পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেই লুটপাট, গ্রেপ্তার ৪ ◈ ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সতর্ক করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার বার্তা, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ◈ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা চুক্তি

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০২ দুপুর
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেড় বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি বিআইডব্লিউটিএ’র সুপারিশ, বন্ধ হয়নি ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল

কিশোর সরকার : নৌ-দুর্ঘটনা রোধে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল ৬ দফা সুপারিশ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে ঢাকা সদরঘাট থেকে চলাচলকারী এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ৩৩ লঞ্চ চলাচল বন্ধ বা দু’টি ইঞ্জিন স্থাপন করে ত্রুটি মেরামত করা, লঞ্চে জিপিএস, রাডার, ভিএইচএফ ও ইকো সাউন্ডার স্থাপন, প্রতিটি যাত্রীবাহী নৌযানে ২জন মাস্টার ও ২জন ড্রাইভার বাধ্যতামূলক করা, প্রত্যেক মাস্টার ড্রাইভারকে ২১ দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া, মাস্টারব্রিজ বা হুইল হাউজ যাত্রীদের কাছে ভাড়া না দেয়া।

২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর রাত একটার দিকে এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট এমভি মানিক ও বোগদাদিয়া লঞ্চে দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়। তদন্তে দেখা গেছে, এমভি মানিক এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট ও বোগদাদিয়া লঞ্চের গভীরতা কম। এছাড়া দু’টি লঞ্চের কারও জিপিএস, রাডার, ভিএইচএফ ও ইকো সাউন্ডার নেই। আর এবছর ১৩ জানুয়ারি কীর্তনখোলা ও ফারহান লঞ্চের দুর্ঘটনায় ২জন যাত্রী নিহত হন।

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের হিসেব মতে, ১৯৯১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মোট ৫৬৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৬৬৬৭ জন। ২০১৯ সালে ২৫টি নৌ দুর্ঘটনায় নিহত হয় ১৬ জন।

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বলেন, সুপারিশ কেন বাস্তবায় হচ্ছে তা আমরা বলতে পারছি না। আমরা সার্ভে সনদ দেখে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছি। সম্পাদনা : ভিক্টর রোজারিও

  • সর্বশেষ