প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপি তো আসছে না ইভিএম দেখতে, বললেন ইসি সচিব

সাইদ রিপন: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হলেও তফসিল নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন নিয়ে আবারও বসবে কমিশন।সেখানে পাঁচটি আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না।সেদিন তিনটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।বাকি দুটি উপনির্বাচন ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি পুনরায় বৈঠকে বসবে কমিশন।

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন উপলেক্ষে কেন্দ্রগুলোতে সিসি টিভির আওতায় আসবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত যেসব প্রতিষ্ঠানে আগে থেকে সিসি ক্যামেরা আছে সেগুলোকে সচল রাখার জন্য বলা হয়েছে।যাতে করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেইসব ক্যামেরা মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করা যায়।তবে কেন্দ্রগুলো বুথে কোনো ভাবেই যাতে কোনো সিসি ক্যামেরা না থাকে সেবিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

আচরন বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সচিব বলেন, বড় ধরনের কোনো আচরন বিধি লঙ্ঘন হয়েছে তা নয়। উত্তর দক্ষিণে দুটি ঘটনা ঘটেছে।এই দুটি ঘটনা অনাকাঙ্খিত। এব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। মুলত ২৪ ঘণ্টা আগে এই ধরনের কর্মসূচি সম্পর্কে নিয়ম রয়েছে সেটি না মানাই এমনটি হয়েছে।
ইভিএম এ জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। যদি কারো আঙুল না থাকে তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ওই ব্যক্তি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারার মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। এ ধরনের ঘটনায় মাত্র ১ শতাংশ ভোটারদের সনাক্ত করতে পারবেন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা। ১ শতাংশের বেশির প্রয়োজন হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। আরো বেশি লাগলে কমিশনের অনুমতি লাগবে।পরবর্তিতে চাইলে এই ইভিএমের তথ্য জানা যাবে। ভোটের তথ্য আমাদের কাছে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা থাকে। মামলা করারও সুযোগ রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলে এ নিয়ে আদালতেও যেতে পারেন। কেউ মামলা করলে আমরা দেখাতে পারব।

ইভিএম মেশিন আমেরিকা, বৃটেনসহ কয়েকটা দেশের রাষ্টদূতরা দেখে গেছে। তারা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ব্যাপারে সবচেয়ে বড় অংশীজন বিএনপিই ইভিএম নিয়ে সন্তুষ্ট নয়- এই প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, তারা তো আসে না। আমরা তো অপেন রেখেছি। আপনারা এসে দেখেন। যদি তারা না আসেন, আমরা তাদের কিভাবে আনতে পারি।

বিদ্যমান আচরণ বিধি সংশোধন সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি ২০০৯ সালে করা হয়েছিল। তখন কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতায় ছিল। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে কি করা হয়? তারা সাধারণ জনগণ ও রাজনীতিকদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলে আচরণবিধি মালা করে করে না। তখন সংলাপ হলেও সেটা অনেকটা রেসট্রিকটেট (নিয়ন্ত্রণ) হয়। অনেকের ভিতর ভয়ভীতি থাকে। তারা আচরণ বিধিমালাসহ অনেক কিছু চাপিয়ে দেয়। ২০০৯ এবং এখনকার পরিস্থিতি তো এক নয়। এখন ডেমোক্রেটিক গর্ভমেন্ট, ডেমোক্রেটিক সিশোয়েশন, স্বাধীনভাবে মানুষ কথা বলতে পারে। এখন টক শে করছেন এত টেলিভিশন এত পত্রিকা তখন কি গুলো পারতেন করতে? এত কিছু বলতে পারতেন।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে সাংবাদিকেদের উপরও অনেক বাধানিষেধ ছিল। আপনারা কি সেই আচরণ বিধিমালা চান? যে এখনও সেই আচরণ বিধিমালা থাকুন। এজন্য সেই এই আচরণবিধি মালা আর সময়ে সাথে মানুষের সচেতনা বেড়েছে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পরিবর্তন হয়েছে। সেই সাথে আচরণ বিধিমালা আধুনিকায়ন করতে হবে। তার মানে এই নয় কাউকে অন্যায় কোনো সুবিধা দেয়া হবে। এটি হালনাগাদ করতে হবে।

সিটি নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের বিএনপির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকদের কোনো কার্ড দেয়ার ব্যাপারে কমিশন থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা পাইনি দেইনি। যে নীতিমালা আছে সেই অনুযায়ী দিচ্চি। যারা ইসিতে নিবন্ধিত তাদেরকেই কার্ড দেয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত