শিরোনাম
◈ হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতের কাছে স্পষ্ট বার্তা বাংলাদেশের ◈ শেখ হাসিনার ‘ভার্চুয়াল সভা’ নিয়ে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান জানতে চায় বাংলাদেশ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার বোদুগুম অ‌খি‌লেশ‌ সব ধর‌নের ক্রিকেটে ৮ বছরের  নিষিদ্ধ ◈ ফিফা সভাপতির পাশ থেকে সরে দাঁড়াল ওয়েলশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ◈ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোডে চতুর্মুখী তীব্র যানজট, অচল ঢাকা-সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়ক ◈ ৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না ◈ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৭ ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি, সংসদের কাছে ভোটার তালিকা চাইল ইসি ◈ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল চান প্রধানমন্ত্রী ◈ পুলিশের ৮ কর্মকর্তাকে বদলি

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন চার আবাসন প্রকল্প নিয়ে আসছে রাজউক

সুজিৎ নন্দী: কেরানীগঞ্জের প্রকল্পটির নাম চুড়ান্ত করা হয়েছে, ‘কেরানীগঞ্জ মডেল টাউন’ প্রকল্প। পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, দোহার, আমিনবাজার থেকে গাজীপুরের সফিপুর পর্যন্ত তুরাগ নদের দু'পাড়ে এবং অন্যটি হবে পূর্বাচল উপশহর প্রকল্প এলাকার পূর্ব দিকে ঢাকা মহানগর বাইপাসের উত্তর পাশে। এর বাইরেও শিক্ষা জোন (অঞ্চল) নামে আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে রাজউক। সেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এটা হবে পূর্বাচল প্রকল্পের দক্ষিণে পূর্বাচল ও ডেমরার মধ্যবর্তী স্থানে।

রাজউকের পরিকল্পনা বিভাগ জানায়, কেরানীগঞ্জ ও আশুলিয়ার প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সবকিছু চ’ড়ান্ত হয়েছে। অন্যগুলোর বিষয়ে কাজ চলছে। রাজউকের পরিকল্পনা শাখা থেকে তারা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। রাজউকের পরিকল্পনা রয়েছে নবাবগঞ্জ-দোহার-মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে একটি প্রকল্প করার। পূর্বাচলের দক্ষিণে হবে শিক্ষা জোন আর পূর্ব দিকে হবে আরেকটি আবাসন প্রকল্প।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জে আগে যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সেটা এখন ছোট করে ফেলা হয়েছে। যেসব স্থানে ঘরবাড়ি আছে সেগুলো বাদ দিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হবে সেসব ক্ষতিগ্রস্তের জন্য একটি অঞ্চল তৈরি করে প্লট দেওয়া হবে। এতে করে ওই এলাকার উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

রাজউকের নকশা বিভাগ সূত্র জানায়, তুরাগ নদীর পাড় ঘেঁষে সাভার ও আশুলিয়া এলাকার জলাশয় ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রাজউক রক্ষা করতে পারছে না। বর্ষা মৌসুমে রাতের অন্ধকারে নৌকায় করে তারা বালু ফেলে। শুস্ক মৌসুম শুরু হতেই সেখানে চর জেগে ওঠে। এভাবে আশুলিয়ার বিশাল এলাকা ইতিমধ্যে ভরাট হয়ে গাছপালা গজিয়েছে। এ জন্যই আমিনবাজার থেকে কাশিমপুর পর্যন্ত পুরো এলাকা অধিগ্রহণ করে তুরাগ নদ ও জলাশয়গুলো রক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব স্থান ভরাট হয়ে গেছে সেখানে প্লট বানিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের ব্যাপারে রাজউককে আশ্বাস দিয়েছেন। কারণ বিমানবন্দর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত একটি ফ্লাইওভার নির্মাণেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কেরানীগঞ্জের প্রকল্পটির নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে, ‘কেরানীগঞ্জ মডেল টাউন’। প্রথমে কেরানীগঞ্জ মডেল টাউনের জন্য কেরানীগঞ্জের ১৬টি মৌজায় ২ হাজার ২৮৭ একর জমিতে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পপত্র তৈরি করেছিল রাজউক। নতুন প্রকল্পপত্রে ঘরবাড়িগুলো বাদ দেওয়ায় এখন তা কমে ৯১২ একর নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৬ মৌজার পরিবর্তে এখন তিনটি মৌজার জমি অধিগ্রহণ করা হবে। মৌজা তিনটি হলো বেওথা, বাড়িলগাঁও ও তারানগর। প্লট হবে তিন হাজারের কাছাকাছি।

অন্যদিকে গাবতলী ব্রিজের উত্তরে কোর্টবাড়ি মৌজা ও পশ্চিমে আমিনবাজার ল্যান্ডফিল থেকে উত্তর দিকে আশুলিয়া পর্যন্ত তুরাগ নদীর দুই পাশ দিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর পর্যন্ত এলাকায় হবে আশুলিয়া আবাসন প্রকল্প। এসব এলাকায় বেশকিছু ঘরবাড়ি রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কারখানা, পার্ক, রেস্টুরেন্ট, পিকনিক স্পট, আবাসন প্রকল্পসহ অবকাঠামোও রয়েছে। এসবের প্রায় সবই জলাভূমি ভরাট করে তৈরি হয়েছে।

সূত্র মতে, মাওয়া থেকে দোহার পর্যন্ত পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে কিছু জমি রয়েছে, যেখানে বড় কোনো স্থাপনা গড়ে ওঠেনি। এছাড়া পদ্মা সেতুর কারণে ওই এলাকার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হওয়ার পথে। ওই এলাকায় আধুনিকতার ছোঁয়াও লেগেছে। এ জন্য রাজউক ওই এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে চায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়