প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সীমান্তে হত্যার ঘটনায় বিএসএফের ‘গরু পাচার’ যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়

তৌহিদ এলাহি দিপ্ত : এমনটিই বলেছেন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির অপারেশন বিভাগের পরিচালক লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার বিবিসিবাংলায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

লে: কর্নেল আহমেদ বলেন, চুক্তিতে বলা এবং নিয়ম আছে, কেউ অবৈধভাবে সীমান্তে গেলে তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে, এরপর আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেবো। সীমান্তে হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিজিবি এবং বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহার করার ব্যাপারে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো।

অথচ বিএসএফ সেটা না করে গুলি বর্ষণ করছে। কিন্তু যখন আমরা বিএসএফকে ওইসব ঘটনার প্রতিবাদ জানাই, জবাবে তারা আমাদের জানায়, আত্মরক্ষার্থে অর্থাৎ আমাদের দেশের নাগরিকরা যখন তাদের ওপর আক্রমণ করে কেবল তখনই ননলিথাল উইপেন (প্রাণঘাতী নয়) ব্যবহার করে তারা গুলি বর্ষণ করে। যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

সবশেষ গত ২৩ জানুয়ারি সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়। এর আগে পোরশা উপজেলার সীমান্তে বিএসএফদের গুলিতে ৩ বাংলাদেশী নিহত হয়। তার আগে লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ জন নিহত হয়। অথচ দু’দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ের আলোচনাতে সীমান্তে হত্যা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো ভারত।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৮ সালে সীমান্তে ১৪ জন আর ২০১৯ সালে ৩৮জন বাংলাদেশি নিহত হয়। যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি। এ ব্যাপারে এই সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলেন, হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন। হতে পারে বাংলাদেশের অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করেন। ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে তারাও তো সীমান্ত পার হন। এমন কেউ হত্যার শিকার হচ্ছেন কি না, এগুলোও খতিয়ে দেখা দরকার।স ম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম মাহবুব

সর্বাধিক পঠিত