শিরোনাম
◈ মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ মার্কিন ও ভারতীয় ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন ◈ শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে সক্রিয় ডাকাত চক্রের দৌরাত্ম্য, ভাড়াটে ডাকাত ধরা পড়লেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মাফিয়ারা! ◈ সন্দেহের বশে কাউকে বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক ◈ ডি‌সেম্ব‌রে হাসিনার প্রত্যাবর্তন: আ.লীগকে রুখতে তৃণমূল নেতা‌দের রাজপ‌থে থাকার নি‌র্দেশ বিএনপির  ◈ প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা, দেশে ফ্রিগেটসহ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের উদ্যোগ ◈ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই বাণিজ্য বাধা দূর করতে বাংলাদেশ-ভারত বৈঠক ◈ ৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে কার শক্তি বাড়ল, কার কমল? : আলজাজিরার বিশ্লেষণ ◈ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, আফগা‌নিস্তান ও মাল‌য়ে‌শিয়া ◈ আগামী বছ‌রের ১৮ মার্চ শুরু হচ্ছে পা‌কিস্তান সুপার লি‌গের দ্বাদশ আসর ◈ ৬ মাস নির্বাসনের মুখে ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনাল্ডো, ক্ষমা চাইলে কমতে পারে শাস্তি

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডিএসপি দেবিন্দরের জঙ্গীকাণ্ডে বাংলাদেশকে জড়ানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় মিডিয়া

সালেহ্ বিপ্লব : গত সপ্তাহে কাশ্মীরের কাজিগুন্দ থেকে গ্রেফতার হন শ্রীনগর বিমান বন্দরে অ্যান্টি হাইজ্যাকিং শাখায় কর্মরত অফিসার ডিএসপি দেবিন্দর সিং। তার গাড়িতেই ছিল নাভেদ বাবু ও রফি নামে দুই হিজবুল জঙ্গি। ডিএসপি স্বীকার করেন, টাকার বিনিময়ে তিনি দুই জঙ্গীকে কাশ্মীরের বাইরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর তার ব্যাপারে তদন্তে নামে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ।

এই গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে ভারতের জিনিউজ বলছে, ‘‘ডিএসপি দেবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে কি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগাযোগ রয়েছে? তদন্ত করে দেখছে এনআইএ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তদন্তে নেমে এনআইএ জানতে পেরেছে, ২০১৯ সালে ৩ বার বাংলাদেশ গিয়েছিলেন দেবিন্দর সিং। সেখানে ছিলেনও বেশ কিছুদিন।  সূত্রের খবর বাংলাদেশে ডাক্তারি পড়ছে তাঁর দুই মেয়ে। তবে তদন্তকারীদের সন্দেহ দেবিন্দরের  ঘন ঘন বাংলাদেশ যাওয়ার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।

সূত্রের খবর, আইএসআইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হবে দেবিন্দরের কাছে। সাধারণভাবে ভারতের অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদের বাংলাদেশে ডাক্তারি পড়তে পাঠান না। এমনও হতে পারে বাংলাদেশে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আইএসআই এজেন্টদের সঙ্গে সাক্ষাত হতো! এখন তার সঙ্গে জইশ –ই-মহম্মদ জঙ্গিদেরও কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলে সূত্রের খবর।’’

অন্যদিকে ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম ওয়ানইন্ডিয়াডটকম  লিখেছে, ‘‘পরতে লুকিয়ে রয়েছে রহস্য। কাশ্মীরের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিংয়ের গ্রেফতারির পর তদন্ত যত এগোচ্ছে তত রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে দেবেন্দ্র সিংয়ে যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ করছে গোয়েন্দারা। এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। পাকিস্তানের সঙ্গে একের পর এক যোগ সূত্র ধরা পড়ছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে যোগ রয়েছে বলে মনে করছে গোয়েন্দারা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর থেকে তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। ২০০১ সালে সংসদ হামলার সঙ্গে দেবেন্দ্র সিংয়ের যোগ রয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। কারণ আফজল গুরুর সঙ্গে দেবেন্দ্র সিংয়ের যোগ ছিলো। আফজল গুরু একাধিকবার দেবেন্দ্র সিংয়ের নাম উল্লেখ করেছিলো। ইতিমধ্যেই দেবেন্দ্র সিংয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। তার বাড়ি থেকে নগদ সাড়ে সাত লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করাতে দেবেন্দ্র সিং সাহায্য করতেন। সেই সাহায্যে নিয়েই ২০০১ সালে সংসদ হামলার জঙ্গিরা ভারতে প্রবেশ করেছিলো। দেবেন্দ্র সিংয়ের নির্দেশেই আফজল গুরু সংসদ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দিল্লিতে থাকার জায়গা ঠিক করে দিয়েছিলো।’’

 

  • সর্বশেষ