শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ সৌদির পুঁজি-প্রযুক্তি, বাংলাদেশের জনশক্তি: নতুন অংশীদারত্বের প্রত্যাশা ◈ মামদানির বাসভবনে ট্রাম্প, রুদ্ধদ্বার বৈঠক ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেলের পর আরও এক সুখবর ◈ মোবাইল টাওয়ারে চুরি বেড়েছে, ২০ মাসে ১৬ হাজার মিটার কেব্‌ল ও ২ হাজার ব্যাটারি লুট ◈ বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী হচ্ছে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ আশঙ্কায় ওড়িশা-অন্ধ্রে সতর্কতা

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:১৪ সকাল
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:১৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরাঙ্গীরচরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পাশে আপন বলতে কেউ নেই

মাসুদ আলম: রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানায় বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহায়তার মামলা করায় সেদিকের কোনো আত্মীয় তার খোঁজ নিচ্ছে না। অপরদিকে মা-বাবার বিচ্ছেদের পর প্রবাসে যাওয়া মার সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ নেই কিশোরীর। এই বিপদে চিকিৎসক, পুলিশ ও বাড়িওয়ালার স্বজনরাই তার পাশে রয়েছেন। মামলার বাদী নিয়মিত তার খোঁজ নিচ্ছেন।

ঢাকায় এক ফুফু থাকলেও বাবার বিরুদ্ধে মামলা করায় কিশোরীর ওপর ক্ষেপেছেন তিনি। হাসপাতালে তাকে একবারও দেখতে আসেননি। ওই ফুফুর সঙ্গে কিশোরীর ছোট ভাই থাকেন। চিকিৎসা শেষে ওই কিশোরী কোথায় যাবে সেটিও তার অজানা।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ওই কিশোরী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ট্রমায় থাকা ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) কাউন্সিলিং চলছে। তবে অবস্থা উন্নতির দিকে।

কামরাঙ্গীরচর থানার মামলায় ধর্ষক মুরগি ব্যবসায়ী আবুল হোসেন এবং কিশোরীর বাবা লিটন কারাগারে রয়েছে। শুক্রবার আবুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার বাদী জানান, কিশোরীর আত্মীয় স্বজন কেউ তার খোঁজ নেয়না। মামলার বাদীর মামার বাড়িতে দুই মাস ধরে ভাড়া থাকছে কিশোরী ও তার বাবা। তার স্ত্রীকে কিশোরী আন্টি বলে ডাকতো। তাকেই এই নির্যাতনের বিষয়টি বলেছে। শুনে খুব খারাপ লাগায় মেয়েটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নেন তিনি।

কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ব্যবসা করেন আবুল হোসেন। তার দোকানে চাকরি করতো ওই কিশোরীর বাবা লিটন,পাশাপাশি ভ্যান চালাতো। আবুলের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা ধার নেয় ওই কিশোরীর বাবা। টাকা শোধ না করতে পারায় মেয়েকে তার হাতে তুলে দেয়। আবুল মেয়েটিকে গত একবছরে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে।

গত ১১ জানুয়ারি ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হলে এক প্রতিবেশী নারীকে ঘটনাটি জানায়। ওই প্রতিবেশী ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে মঙ্গলবার রাতে কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং লিটনকে গ্রেপ্তার করে।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে দ্রæত মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। সম্পাদনা:জেরিন

  • সর্বশেষ